মৎস প্রজেক্ট জুড়ে ফল ও সবজি বাগান, কুলের বাম্পার ফলন - Nagorik Vabna
  1. info.nagorikvabna@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. holysiamsrabon@gmail.com : Holy Siam Srabon : Holy Siam Srabon
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Mohaiminul Islam : Mohaiminul Islam
  5. ranadbf@gmail.com : rana :
  6. rifanahmed83@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  7. newsrobiraj@gmail.com : Robiul Islam : Robiul Islam
মৎস প্রজেক্ট জুড়ে ফল ও সবজি বাগান, কুলের বাম্পার ফলন - Nagorik Vabna
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
দেশব্যাপী প্রচার ও প্রসারের লক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা সিভি পাঠান info.nagorikvabna@gmail.com অথবা হটলাইন 09602111973-এ ফোন করুন।

মৎস প্রজেক্ট জুড়ে ফল ও সবজি বাগান, কুলের বাম্পার ফলন

  • সর্বশেষ পরিমার্জন : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামের একজন সফল উদ্যেক্তা কৃষক ইউনুস ভূঁইয়া। তিনি তার অদম্য ইচ্ছা আর মনোবলের জোরে ১৮৩০ শতক জায়গায় গড়ে তুলেছেন নানা জাতের ফল ও সবজি বাগান।
কুল, লেবু, মাল্টা, ফুলকপি, মরিচ, টমেটোর বাম্পার ফলন ফলিয়ে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। এই প্রজেক্টে ২ হাজার ৫শ’ বল সুন্দরী জাতের কুল, ৭ হাজার লেবু, সাথী ফসল ও মাল্টাগাছ লাগিয়েছেন। তার বাগানে বরইয়ের চমৎকার ফলন রয়েছে। গাছের পাতায় পাতায় বল সুন্দরী কুল দুলছে। এ জাতের কুল দেখতে খুব সুন্দর। খেতে মিষ্টি, অধিক রসালো ও পুষ্টিগুণে ভরপুর।

বাগানের মালিক কৃষক ইউনুস ভূঁইয়া বলেন, আমি বিদেশে ছিলাম। দেশে এসে বেকার হয়ে পড়েছিলাম। অনেক ভাবনা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিই যে আর অন্যের অধীনে চাকরি করব না। এবার উদ্যোক্তা হয়ে নিজেই কিছু একটা করব। তাই আমার পরিত্যক্ত ৯ বিঘা (২৭০ শতক) জমির সাথে আরো ৫২ বিঘা (১৫৬০ শতক) জমি লিজ নিয়ে একটি মাছের প্রজেক্ট তৈরি করি। মাছের ব্যবসা ভালো না হওয়ায় প্রজেক্টে বরই ও লেবু বাগান করার সিদ্ধান্ত নিই। মাছের প্রজেক্টের মতো নিচু জায়গায় ফল বাগান করছি দেখে এলাকার মানুষ আমাকে পাগল বলছে। নানা রকম সমালোচনাও করছে। পুকুরের ভিতর ফল গাছ লাগাইতাছি, এগুলো বৃষ্টি আসলে পানিতে ডুবে মারা যাবে। সমালোচকদের কথায় কান না দিয়ে নাটোর থেকে আড়াই মাস বয়সী কুল ও লেবুর চারা এনে রোপণ করি। চারা রোপণের পর মুরাদনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন স্যার সার্বক্ষণিক বাগানটির খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং গাছের পরিচর্যায় প্রয়োজন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। চারা রোপণের ৩ মাস পর বাগানের প্রতিটা গাছে কুল এসেছে। কুল বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে হয় না। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ বাগানে এসে কুল নিয়ে যায়। একটি গাছ ২৫-৩০ কেজি কুল আসে । ১শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। এই বাগানে প্রতিদিন ১৫ জন কৃষি শ্রমিক কাজ করে। এছাড়াও বাগানের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক দুইজন লোক নিয়োজিত আছে। আমার বিশ্বাস ছিল সফল হবো এবং হয়েছি। পানি নিষ্কাশনের জন্য বাগানের চতুরদিকে খাল খনন করা আছে। বাগানের পানি খালে গড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে মেশিনের সাহায্যে পানি বের করে দেওয়া হয়। আবার পানি দেওয়া লাগলে খাল থেকে মেশিন দিয়ে পানি দিয়ে দিচ্ছি। বাগানটি করতে গিয়ে আমি আমার জমিজমা মর্টগজ দিয়ে মাত্র ৩ লাখ টাকার কৃষি লোন পেয়েছি। প্রজেক্টের অনেক কাজ বাকি আছে যেগুলো টাকার জন্য করতে পারছি না। সরকার যদি আমাকে সহজ শর্তে কিছু ঋন দেয়, তাহলে এই ফল বাগানটা আরো ব্যাপকভাবে করতে পারব।

মুরাদনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লায় সম্ভবত এর চেয়ে বড় প্রজেক্ট নাই। বিস্ময়কর হলেও সত্য, চারদিকে পাড় বাঁধানো ১৮৩০ শতক জমির মাছের প্রজেক্ট এখন ফল আর সবজিতে ভরপুর। গাছে কুল এসেছে, বিক্রিও করা হচ্ছে। লেবু আসন্ন রমজানে বিক্রি করতে পারবে। লেবুর ফাঁকে রয়েছে সাথী ফসল। আমি রীতিমতো এই কৃষি প্রজেক্টটি দেখাশোনা করছি। কৃষক ইউনুস ভূঁইয়ার মত যারা উদ্যেক্তা হয়ে পরিত্যক্ত কৃষি জমিতে ফসল ফলাতে চান তাদের সার্বিক সহযোগিতায় মুরাদনগর কৃষি অফিস পাশে থাকবে। 




আরো সংবাদ পড়ুন







নাগরিক ভাবনা লাইব্রেরী

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930