বাবাকে পিটিয়ে পাঠালেন হাসপাতালে, ছেলে গেলেন কারাগারে - Nagorik Vabna
  1. info.nagorikvabna@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. holysiamsrabon@gmail.com : Holy Siam Srabon : Holy Siam Srabon
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Mohaiminul Islam : Mohaiminul Islam
  5. ranadbf@gmail.com : rana :
  6. rifanahmed83@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  7. newsrobiraj@gmail.com : Robiul Islam : Robiul Islam
বাবাকে পিটিয়ে পাঠালেন হাসপাতালে, ছেলে গেলেন কারাগারে - Nagorik Vabna
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
দেশব্যাপী প্রচার ও প্রসারের লক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা সিভি পাঠান info.nagorikvabna@gmail.com অথবা হটলাইন 09602111973-এ ফোন করুন।

বাবাকে পিটিয়ে পাঠালেন হাসপাতালে, ছেলে গেলেন কারাগারে

  • সর্বশেষ পরিমার্জন : রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে বোনের জমি দখলে নেয়ার প্রতিবাদ করায় ৭৫ বয়সের বৃদ্ধ বাবাকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন পাষান্ড ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ রবিবার ওই ছেলে ইব্রাহিমকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। ইব্রাহিম উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গেন্ডামারা এলাকার ইউসুফ আলী সিকদারের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গেন্ডামারা এলাকার ইউসুফ আলী সিকদারের মেয়ে আয়শা আক্তারের জমি ছেলে ইব্রাহিম সিকদার জোরপূর্বক ভোগদখল করে। এই জমি ছেলের থেকে মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাবা ইউসুফ আলী গত শুক্রবার থানায় অভিযোগ করেন। থানা থেকে স্থানীয় ভাবে সমাধানের জন্য শালিসি মানিয়ে দেওয়া হয়। কিন্ত ইব্রাহিম স্থানীয় শালিসি মিমাংসায় না বসে জোরজবরে ঐ জমির ধান কেটে নেয়। সেই ধান ফিরিয়ে আনার জন্য শনিবার ইউসুফ আলী সিকদার ছেলের কাছে গিয়ে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলে বাবাকে বেধরক মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা বৃদ্ধ বাবাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় বোন আশয়া বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিম সিকদারকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, বাবাকে মারধরের ঘটনায় ছেলেকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




আরো সংবাদ পড়ুন







নাগরিক ভাবনা লাইব্রেরী

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930