1. info.nagorikvabna@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  2. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  3. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  4. hasanmamunnews@gmail.com : Hasan Mamun :
  5. holysiamsrabon@gmail.com : Holy Siam Srabon : Holy Siam Srabon
  6. mdmohaiminul77@gmail.com : Mohaiminul Islam : Mohaiminul Islam
  7. naemislam111@gmail.com : naem :
  8. naemislam112221@gmail.com : :
  9. rifanahmed83@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  10. newsrobiraj@gmail.com : Robiul Islam : Robiul Islam
গাইবান্ধায় কচুরিপানা দিয়ে তৈরী হচ্ছে নানা শৌখিন দ্রব্য সামগ্রী যাচ্ছে বিদেশে - Nagorik Vabna
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
সারাদেশে নাগরিক ভাবনা’র প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা হটলাইন 09602111973-এ ফোন করুন অথবা সিভি পাঠাতে ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন “প্রতিনিধি হতে নির্দেশনা”

গাইবান্ধায় কচুরিপানা দিয়ে তৈরী হচ্ছে নানা শৌখিন দ্রব্য সামগ্রী যাচ্ছে বিদেশে

  • সর্বশেষ পরিমার্জন : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে

এইচ.এম জাহিদ গাইবান্ধা প্রতিনিধি: পরিত্যক্ত অপ্রয়োজনীয় এবং শুধুমাত্র গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত জলজ কচুরিপানা দিয়ে এখন তৈরী হচ্ছে নানা শৌখিন দ্রব্য সামগ্রী। গাইবান্ধা ফুলছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের নান্দনিক এবং শৈল্পিক নিপুণতায় এই কচুরিপানাও এখন মূল্যবান হয়ে উঠেছে। কচুরিপানা থেকে উৎপাদিত নানা মূল্যবান শৌখিন সামগ্রীর মধ্যে ফুলদানি, ফুলের টব, মাদুর, ঝুঁড়িসহ ঘর সাজানোর অন্যান্য জিনিস এখন উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি কচুরিপানা থেকে তৈরী এসব সামগ্রী আমেরিকাসহ নানা দেশেও যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদনেরপাড়া গ্রামের সুভাষ চন্দ্র ঢাকা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে শুরুতেই ভাষারপাড়া গ্রামে কচুরিপানা শুকিয়ে তা থেকে নানা সামগ্রী তৈরীর বিষয়ে ওই এলাকার কয়েকজন নারীকে প্রশিক্ষণ দেয়। এরপর ভাষারপাড়া, কঞ্চিপাড়া, মদনেরপাড়া ও সদর উপজেলার দারিয়াপুর এবং তালতলা গ্রামের ২শ’ ৫০ জন নারীকে নিয়ে কচুরিপানার এসমস্ত নানা সামগ্রী তৈরীর কাজ শুরু করেন।

এরপর থেকেই ওই ৪টি গ্রামের ২শ’ ৫০ জন দরিদ্র নারী যুক্ত হয়েছে এই কাজের সঙ্গে। ভাষারপাড়া গ্রামে কচুরিপানা নিয়ে কর্মরত নারীদের কথা বলে জানা যায়, বাড়ির কাজ, নিজের কাজ এছাড়া ছাত্রীরা পড়ালেখার অবসরে কচুরিপানা দিয়ে ফুলদানি তৈরীসহ নানা সামগ্রী তৈরীতে নিয়োজিত হয়ে পড়ে। তারা দিনে ৫- ৬টা পর্যন্ত ফুলদানি তৈরী করতে পারে। এতে তাদের প্রতিদিনের আয় হয় ২শ’ থেকে ২শ’ ৫০ টাকা। তারা এই আয়ের টাকা দিয়ে সংসারের খরচ জোগাচ্ছে এবং তার পাশাপাশি এক সময়ের পরিত্যক্ত কচুরিপানাকেও আয়মূলক শিল্প সামগ্রীতেও পরিণত করছে।

এব্যাপারে এই কাজের উদ্যোক্তা সুভা চন্দ্র জানান, তার পুঁজি কম। এ কারণে অর্থাভাবে তিনি এই শিল্পের প্রয়োজনীয় ও বিকাশ ঘটাতে পারছেন না। কচুরিপানার এই ঘর সাজানো জিনিসের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। বিদেশেও চাহিদা কম নয়। তবে এজন্য ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা পেলে ওই কচুরিপানা থেকে উন্নতজাতের হস্তশিল্প তৈরী করে তদাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে তা যথেষ্ট কার্যকর ভুমিকা রাখবে।

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারমান জেএম সেলিম পারভেজ জানান, তিনি এ কাজ কোনদিন দেখেননি। শুকনো পানা এক সময় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হতো। গো-খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এখন সেই পানা দিয়ে তৈরী হচ্ছে ফুলদানিসহ অন্যান্য জিনিস। এতে এই এলাকার নারীদের যেমন উপকার হচ্ছে, তেমনি গ্রামের তৈরী সামগ্রী দেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে আমেরিকার মতো উন্নত দেশে। এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

নাগরিক ভাবনা লাইব্রেরী

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728