1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

খুলনায় হরতালের প্রভাব না পড়লেও উদ্বেগ উৎকন্ঠায় পরিবহন মালিক ও ব্যবসায়ীরা!

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৮৪ বার পঠিত

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: খুলনায় হরতালের কোনো প্রভাব না পড়লেও সাধারণ ব্যবসায়ী ও পরিবহন মালিকদের লুকসানের খাতা ভারী হচ্ছে।
ফলে অনেক ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারানোর হুমকিতে। পাশাপাশি পরিবহন মালিক শ্রমিক উভয়ে সংকটে পরে উদ্বেগের সাথে বলেছে দেশের বিরোধী দল বিএনপি জামাত গত ২৮ অক্টোবর থেকে লাগাতার হরতাল কর্মসূচি দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো তথা ব্যবসায়ী ও পরিবহন সেক্টরে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি করছে।

এবং সেই ধারাবাহিকতায় আজ আবারও একই ইস্যুতে দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এক দফা সরকার পতন ও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল এবং বন্দী সকল নেতা কর্মীদের মুক্তির দাবিতে ১৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দেশব্যাপী সকাল সন্ধ্যা হরতাল পালনের লক্ষ্যে হরতাল ডাকলেও দেশের কিছু কিছু জায়গায় হরতাল সমর্থনকারীরা নাশকতার ঘটনা ঘটালেও তাদের তৃতীয় দফা হরতালের কোনই প্রভাব পড়েনি খুলনায়।
তবে গতকাল হরতাল সমর্থনে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মশাল মিছিল বের করে বিএনপি সংগঠনের ছাত্রদল, যুবদল সহ জামাত ইসলামের কর্মীরা।
আর এ সময় হরতাল বিরোধী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মশাল মিছিলটি বাধা দিলে উভয় দলের মধ্য ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সৃষ্টি হয় পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে আজ হরতাল চলাকালীন সময় নগরীর বেশ কিছু এলাকায় বিরোধী দলীয় হরতাল সমর্থনকারীদের খন্ড খন্ড কিছু মিছিল দেখা গেলেও নজরে পড়েনি কোথাও কোনো পিকেটারদের।

এদিকে খুলনা সোনাডাঙ্গা আন্তজেলা বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো পরিবহন ছেড়ে না গেলেও জেলা অভ্যন্তরে লোকাল বাস, নগর পরিবহন, ইজিবাইক, রিক্সা যথারীতি চলতে দেখা গেছে। তবে নগর পরিবহন জেলা অভ্যন্তরীন পরিবহন গুলো চললেও তাতে যাত্রী ছিল খুব সীমিত।

এ সময় খুলনা সোনাডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ড থেকে পিরোজপুরের উদ্দেশ্য ছেড়ে যাওয়া একটি পরিবহনের একজন হেলপার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন বিরোধী দল বিএনপি ও জামাত ইসলাম হরতাল অবরোধের নামে দেশব্যাপী জ্বালাও পোড়াও বিভিন্ন পরিবহনে হঠাৎ অগ্নিসংযোগ ও নাশকতা সৃষ্টির কারণের সাধারণ যাত্রীদের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় আমাদের পরিবহন খাতে প্রচন্ড লোকসান গুনতে হচ্ছে আর যার দরুন আমরা শ্রমিকরা পড়েছি অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে।

এদিকে হরতালে সকাল থেকেই খুলনার বিভিন্ন মার্কেট শপিং মল ও দোকানপাট যথারীতি খুললেও ক্রেতা সমাগম ছিলো একেবারেই জিরোর কোঠায়।
বর্তমান বিরোধী দলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন খুলনার বিভিন্ন মার্কেট শপিং মল দোকান মালিক সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্তাগণ তানারা গণমাধ্যম কর্মীদের সাক্ষাৎকারে বলেন বিএনপি জামাত ও বেশ কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো জোট গত ভাবে একের পর এক হরতাল অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে দলীয় ঊর্ধ্বতন নেতারা ঘরে বসে থেকে মাঠ পর্যায়ের কিছু কর্মী দ্বারা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ বোমাবাজি নাশকতা সৃষ্টি করার কারনে বহিরাগত ক্রেতারা শহরমুখি হচ্ছে না ফলে আমরা ব্যবসায়ীরা বহু টাকা পুঁজি খাটিও প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ সময় খুলনা আক্তার চেম্বার মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সভাপতি শামসের আলী মিন্টু বলেন গেল ২০১৯ এ ২০ সালে বৈশ্বিক মহামারি করোনার ছোবলে টানা দুই বছর লকডাউনের আওতায় মার্কেট শপিং মল বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা প্রচন্ড ক্ষতির গ্রস্ত হয়েছে।

তারপর আবার চলমান পুরো বছরটা বিরোধীদলের বিভিন্ন কর্মসূচি সাথে হরতাল অবরোধ লাগাতার ভাবে চালানোর কারণে ছোটখাটো মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারানোর হুমকিতে।

পাশাপাশি বিএনপি জামাতের হরতাল অবরোধের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষেরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন হরতাল অবরোধের কারণে নিত্য পণ্যের পাশাপাশি শাক-সবজি তরিতরকারী ও মাছের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। এতে আমাদের মতন নিন্ম মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের বেঁচে থাকা দায় হয়ে পড়েছে।
এদিকে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আকরাম মিয়া বলছেন চলমান হরতাল অবরোধের মধ্যি মোকাম থেকে কোন গাড়ি পণ্য নিয়ে আসছে না।

তবে যে সকল গাড়ি আসছে তা দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়া দিয়ে মাল আনার কারণে দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে আর এর প্রভাব সাধারণ ক্রেতাদের উপর বর্তাচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...