1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
  5. elmaali61@gmail.com : Elma Ali : Elma Ali
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

বাসা-বাড়িতে নারী-ইয়াবা সরবরাহ করতেন তারা

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৮৫ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে নারী ও ইয়াবা সাপ্লাইয়ের দায়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার দিরাগত রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সৌরভ ইসলাম, তাসনিয়া বেলা, চৈতি, সামিনা আলম নীলা, সাকিব আহম্মেদ ও মানসিব হায়াত। বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ডিবি মতিঝিল বিভাগ গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা ঢাকায় অনেকদিন ধরেই নারী সাপ্লাই দিয়ে আসছিলেন। নারীর সঙ্গে করে তারা ইয়াবাও সাপ্লাই দিতেন। ঢাকায় ভুয়া পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন তারা। গ্রেপ্তার চৈতি ও সাকিব স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসাগুলো মেনটেইন করতেন। কাউকে সেসব বাসায় নিয়ে গেলে আত্মীয়র ভুয়া পরিচয়ে নিয়ে যেতেন।

ডিবিপ্রধান বলেন, নীলা অভিজাত হোটেল ও বাসা-বাড়িতে প্রায় ৬ হাজারের মতো নারী সাপ্লাই দিয়েছে। তিনি বিভিন্ন নারীদের ছবি দেখাতেন। তারপর চাহিদা অনুযায়ী নারীদের সরবরাহ করতেন। আর গ্রেপ্তার সাকিব অভিজাত এলাকায় চলাচল করতেন, নিজেকে সচিবের ছেলে পরিচয় দিতেনে। তার গাড়িতে পতাকা ছিল, সাথে বডিগার্ডও থাকত। কিন্তু আদতে আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি তার বাবা লেখাপড়াই জানেন না।

সাকিব সোনালি নামে একটা মেয়ের কাছ থেকে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন। নারী-ইয়াবা সাপ্লাইয়ের পাশাপাশি সাকিব সচিবের ছেলে পরিচয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। তদন্তে সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, সমাজের গণ্যমান্য বিভিন্ন পেশার কর্মকর্তাদের তারা নারী সরবরাহ করতেন বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। আমরা তদন্ত করছি। তারা বলেছে অনেক জায়গায় অসংখ্য নারী সাপ্লাই দিয়েছে। এরমধ্যে আদৌ কেউ বিদেশে পাচার হয়েছে কি-না তদন্ত করে দেখা হবে।

এছাড়া, কেউ যখন তাদের নির্ধারিত বাসায় যেতেন, তখন সহযোগীরা তাদের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করে মাসের পর মাস ব্ল্যাকমেইলিং করে টাকা আদায় করতেন। পরিবারকে জানিয়ে দেবে এমন ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগও আমরা পেয়েছি।

 

n/v

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...