1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

মাদারীপুরে ৪ মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটিয়ে যখমের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৭৫ বার পঠিত

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরে ৪ মাদ্রাসা ছাত্রকে বেত দিয়ে পিটিয়ে যখম করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষক। এর মধ্যে এক ছাত্রের আঙ্গুল ও অন্য ছাত্রর হাতে যখম হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তারা বাশগাড়ি ইউনিয়নের খাশের হাট বন্দরের খাশের হাট নূরানীয়া হাফিজিয়া এতিম খানা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও একই গ্রামের বাসিন্ধা।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটলেও রাতে এ ঘটনা ঘটনা প্রকাশ পায়। এর পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক তোফায়েল আহম্মদ পালাতক রয়েছেন। কালকিনির ইউএনও এবং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনা স্থান পরির্দশ করেন, ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছেন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীরা জনান, বিকেলে মাদ্রাসার ছাদে ছাত্ররা খেলা করার সময় একটি মুখপোড়া হনুমান আসে ছাদের উপর। এ সময় ছাত্ররা হনুমানকে বেশ কিছু ঢিল ছুড়ে এ ঢিল ছুরার ঘটনায় মাদ্রাসার প্রধান হুজুরের কাছে বিচার দিলে হুজুর তাদের বকাঝকা দিয়ে আসরের নামাজ পড়তে চলে যান। এর পর মাদ্রাসার ক্লাশ শিক্ষক হাফেজ তোফায়েল আহম্মেদ, ৪ শিক্ষার্থী আবির হোসেন, সাবিবর আহম্মেদ, সাইম প্যাদা ও জোবায়েরকে বেতদিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। আহতরা চিৎকার করলে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাথি ও কিল ঘুষি দিয়ে যখম করেন। এতে সাইম প্যাদার হাত যখম হয় ও আবির হোসেন এর বাম হাতের আঙ্গুল ভেঙ্গে যায়। তারা উভয়ই প্রথম জামাতের ছাত্র। এ ঘটান জানাজানি হলে অভিভাবকসহ অন্যান্যরা মাদ্রাসা ঘিরে রাখে।

এ সময় স্থানীয় প্রভাবশালিরা পরিস্থিথি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্ঠা করেন। এর মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষক তোফায়েল আহম্মদ পালিয়ে যান।

পরে খবর পেয়ে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস ও কালকিনি থানার ওসি নাজমুল হাসান ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের ও তাদের বাবা মায়ের সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করেন। এর পর শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করেন। এ সময় ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন।

কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস বলেন, আমরা খবর পেয়ে, ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের ও তাদের বাবা মায়ের সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করেছি। এর পর শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করেছি। ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিদ্রুত এ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...