1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ১১:৫৩ অপরাহ্ন




সৈয়দপুরে ৫০ কোটি টাকার শীতবস্ত্র বিক্রির আশা ব্যবসায়ীদের

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৬ বার পঠিত

সরকার সালাহউদ্দীন সুমন, নীলফামারী: উত্তরের জেলা নীলফামারীর সৈয়দপুর শিল্প নগরী হিসেবে পরিচিত। এ উপজেলার মানুষ নানান শিল্পের সাথে জড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। এবার শীতে গত কয়েক বছরের চেয়ে শুরু থেকেই ভালো বিক্রি হচ্ছে শীত বস্ত্র। এ বছর বিক্রি প্রায় ৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। শীতের আগমনে সৈয়দপুর থেকে জেলার বিভিন্ন জায়গায়সহ রংপুর, বগুড়া,পঞ্চগড় যায় শীতবস্ত্র। পাইকারি ও খুচরা মূূল্যে দর দাম করে এসব নিয়ে যায় ক্রেতারা । এতে জেলার অর্থনীতিতে গুরুত্ব রাখার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্ব রাখছে এ উপজেলার ব্যবসায়ীরা।

অক্টোবরের শুরুতে কেনাবেচা শুরু হয়ে চলে জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা দিনে পোশাক কিনে দিনেই এলাকায় ভিরতে পারেন। এখানে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা দরের মধ্যে শীতবস্ত্র পাওয়া যায়।

কাপড় ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন ক্লথ স্টোরের মালিক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন,তাইওয়ান জাপান ও কোরিয়া থেকে বেশি আসে কাপড়ের গাইড। চট্টগ্রাম থেকে এসব কিনে স্বল্প লাভে বিক্রি করি। পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বাকি ও নগদে কিনে নেন। দুবছর করোনার কারণে লাভের মুখ দেখিনি। এবার লাভের আশা করছি।

খুচরা মৌসুমী কাপড় ব্যবসায়ী আকতার হোসেন বলেন, শীতের সময়ে শীতবস্ত্র বিক্রি করে বাড়তি আয় হয়। অন্য সময় হোটেলে কাজ করি এবং রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। শীতে মহাজনের কাছ থেকে শীতবস্ত্র নিয়ে রেললাইনের পাশে বিক্রি করি। স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে নিয়ে সংসার ভালোভাবেই চলে যায়। বাড়িভাড়া ও দোকানের বাকিও পরিশোধ হয়।

কয়েক শত মৌসুমী ব্যবসায়ী নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেললাইনসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে শীতবস্ত্র বিক্রি করেন। উত্তরাঞ্চলের মধ্যে বেশ বড় পাইকারি মোকাম গড়ে উঠেছে এ এলাকায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েকটি জেলায় শীতের তীব্রতা বেশি থাকে। ফলে গরম কাপড়ের চাহিদা বেশি। রংপুর বিভাগে সৈয়দপুর মাঝামাঝি স্থানে ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় ব্যবসাও ভালো হয়।

পাগলাপীর থেকে আসা হালিম বলেন, এবার শীতবস্ত্রের দাম তেমন বাড়েনি। সৈয়দপুরে দাম কম। জ্যাকেট,মাফলার ও টুপি কিনে ট্রেনে এলাকায় নিয়ে যাব।

বস্ত্র মালিক সমিতির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক জানান, ছয় জন ব্যবসায়ীর এলসি করা আছে। সৈয়দপুরে তারা আমদানি-রপ্তানি করেন। অন্যরা চট্টগ্রাম ও ঢাকা থেকে পাইকারি কেনেন। শীতে প্রায় ৫০ কোটি টাকার কেনাবেচা হয়।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ জানান, তারা আবেদন করলে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষে সহায়তা করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...