1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
  5. elmaali61@gmail.com : Elma Ali : Elma Ali
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

রামগঞ্জে বৃষ্টির অজুহাতে অস্বাভাবিক সবজির বাজার, দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৪৬ বার পঠিত
মোহাম্মদ আলী: অসময়ে মুশলধারে বৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়ার কারনে রামগঞ্জ বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।
সাইফুল ইসলাম নামের একজন মুদি দোকানের কর্মচারীর সাথে কথা হয়।  তিনি জানান, মাসে বেতন পাই সাড়ে ৭ হাজার টাকা। প্রতিদিন ক্রেতাদের কাছ থেকে বকশিস পাই দেড়শ বা দুইশ টাকার মতো। বাসা ভাড়া দিতে হয় ৪ হাজার টাকা। স্ত্রী-সন্তান ও মাসহ ৫জনের পরিবার। একবস্তা চালের দাম ২৫শ টাকা, তেল-নুন-পেঁয়াজ কিনতেই চলে যায় হাজার পাঁচেক। নিজেরও মায়ের ঔষধে চলে যায় আরো ২ হাজার টাকা। সপ্তাহে একদিন সবজি এবং মাছ বাজারে গেলে ১ হাজার টাকার মতো লাগে। সবজি বা মাছ বাজারে যাই সন্ধার পরে। যদি কিছুটা কম পাওয়া যায়। সে-ই কোরবানীর ঈদের সময় গ্রামের বাড়ীতে গরুর গোস্ত খেয়েছি। বাচ্চারা মাঝে মাঝে আবদার করে। কিন্তু কিনতে পারি না।
এতো গেলো একজন নিন্মবিত্ত মানুষের কথা। এমনিভাবে কথা হয়, ফরিদ উদ্দিন, সোহেল রানাসহ ৫/৬জন ক্রেতার সাথে। সবারই আক্ষেপ, এ দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পিঁছনে নানান অজুহাত থাকলেও আমাদের আয় বৃদ্ধির কোন অজুহাত নেই। সারাদিন গাধার মতো পরিশ্রম করেও পরিবারের ৫ সদস্যের জন্য মাসিক খাবারের খরচ কোনভাবেই মেটাতে পারছি না। প্রতি মাসে ৮/১০ হাজার টাকা ঋণ হয়ে পড়ি।
সরেজমিনে সোমবার রামগঞ্জ কাঁচা বাজার, সোনাপুর বাজার, বালুয়া চৌমুহনী বাজার ভাটরা বাজার, দল্টা বাজার,পানপাড়া বাজার, পদ্মা বাজার লক্ষ্মীধর বাজার গিয়ে দেখা যায়, করোলার কেজি ১০০, মুলা ৭০, কচুর চড়া ছোট ৮০, কচুর চড়া বড় ১০০, দেশী ধনে পাতা ৪০০, কাঁচা মরিছ ২৮০, কুমড়া ৬০, টমেটো ১০০, তরি (ধুন্ধুল) ১৪০, কাঁচা পেপে ৩৫, ঝিঙ্গা ১০০, চিচিঙ্গা ১০০, পাতাকপি ১০০, ফুলকপি ১০০, দেশী সীম ৮০/১০০, বরবটি ১৪০টাকা কেজিদরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ছোট আকারের কাঁচকলার হালি ৬০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া তেলাপিয়া মাছের কেজি ১৭০ হতে২৮০টাকা পাঙ্গাশ মাছের কেজি ১৮০ হতে ২২০ টাকা ,রুই মাছ প্রতিকেজি ২৮০ হতে ৪৫০ টাকা কাতল মাছ  ২৫০হতে ৪০০ টাকা চাষ করা কৈ মাছের কেজি ২২০ হতে২৬০ টাকা শোল মাছ ৫০০ হতে ৭০০ টাকা পাবদামাছ ৩৮০ টাকা হতে ৪৫০টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
আরিফ হোসেন নামের বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, আজ ১ সপ্তাহ পর বাজারে এসেছি। এখানকার সবাই পরিচিত মানুষ। সবজির দাম গত এক মাসের তুলনায় কেজি প্রতি বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ। পাইকারী বাজারেও বেশি। আমরা নিজেরাও ধারদেনা করে এখন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। বৃষ্টির কারনে বাজারে সবজি সরবরাহ কম। তার উপর মালও পঁচে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন পাইকারী ব্যবসায়ী জানান, কুমিল্লা, ঢাকার কারওয়ান বাজার ও চট্টগ্রাম থেকে এ এলাকায় সবজি আসে। ঘাঁটে ঘাঁটে গাড়ী আটকায় তার উপর অসময়ে বৃষ্টি। বাধ্য হয়ে মালও কম আনি এখন। কি করবো, পাইকারী বাজারে বস্তা প্রতি সবজির দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪শ টাকা। স্থানীয় এলাকা বা গ্রাম থেকে সবজি আসবে আরো মাস খানেক পরে।  তখন কিছুটা সহনীয় হবে সবজির বাজার।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...