1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ১১:৪০ অপরাহ্ন




শেরপুর-৩ আসন : আ’লীগের আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বে বহু বিভক্তি, প্রার্থী একাধিক

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৪৪ বার পঠিত

॥ সুযোগ নিতে মরিয়া বিএনপি-জাতীয় পার্টি॥

মোঃমনিরুজ্জামান, ঝিনাইগাতী (শেরপুর): শেরপুরে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভব্য প্রার্থীরা গন সংযোগের ব্যাস্ত সময় পার করছেন। শোডাউন সহ পোষ্টার লিফলেট নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা।   তফছিল ঘোষনার পর  সম্ভব্য র্প্রাথীরা বসে নেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ রাজপথে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীরা নড়েচড়ে বসতে শুরু করেছেন। কেন্দ্রে যাতায়াত বাড়িয়ে লবিং-তৎপরতার পাশাপাশি এলাকায় উকিঝুঁকি বাড়িয়ে কৌশলে শুরু করছেন নির্বাচনী তৎপরতা। হাজির হচ্ছেন নানা সামাজিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বিভিন্ন   উন্নয়নের আশ্বাস দিচ্ছেন।  কোন কোন ক্ষেত্রে অনুদান এবং অনুষ্ঠান আয়োজনের খরচাপাতিও বহন করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। ফলে রাজনীতির অন্দরমহল থেকে শুরু করে মাঠেময়দানেও উঠে আসছে আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ও আলোচনা। অনেক প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামের পাদপীঠ এবং পাহাড়, নদী, তুলশী মালা ধানের সমৃদ্ধ ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর শেরপুর অঞ্চল । এ জেলায় সংসদীয় আসন রয়েছে ৩টি। এর মধ্যে সদর উপজেলা নিয়ে শেরপুর-১ আসন, নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নিয়ে শেরপুর-২ আসন এবং শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে শেরপুর-৩ সংসদীয় আসন গঠিত।

জেলার সংসদীয় আসনগুলোর মধ্যে ‘লাকী আসন’ হিসেবে খ্যাত শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী)। এ আসনের দুটি উপজেলাতেই অভ্যন্তরিণ দ্বন্দ্ব বহু বিভক্তিতে রয়েছে টানা ৩ বারের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলের সম্ভাব্য প্রার্থীতা নিয়েও রয়েছে ভিড়াভিড়ি। অন্যদিকে অন্য দুটি আসনের চেয়ে এ আসনে গোছালো অবস্থায় রয়েছে রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে দুইজনের নাম  নিয়ে নেতা কর্মীদের আলোচনা তুঙ্গে। একজন বর্তমান এমপি ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল হক চানের  স্বদর ভাতিজা জেলা বিএনপি’র  সভাপতি মাহমুদুল হাসান রুবেল এবং ঝিনাইগাতী উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আমিনুল ইসলাম বাদশার নাম শুনা যাচ্ছে।এ জেলায় ৩টি সংসদীয় আসনের মধ্যে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে শেরপুর-৩ আসন গঠিত। অন্য দুটি আসনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট এ আসনে রয়েছে ১টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদ। অন্য দুটি আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থান তুলনামূলকভাবে অনেকটা মজবুত হলেও এ আসনে অভ্যন্তরিণ দ্বন্দ্ব ও নেতৃত্ব নিয়ে বহুধা বিভক্তির কারণে সাংগঠনিক অবস্থান সে তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। স্বাধীনতার পর ১৯৯৬ এর নির্বাচনে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রয়াত এম এ বারী বিজয়ী হলেও হেরে যান ২০০১ এর সংসদ নির্বাচনে। এরপর ২০০৮ থেকে চলতি সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত টানা ৩ দফায় সংসদ সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাবেক আমলা প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক চাঁন। ফলে তার হাত ধরে সরকারের প্রায় সাড়ে ১৪ বছরে এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ এবং স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার উন্নয়ন নেহায়েত কম হয়নি। সীমান্ত সড়ক নির্মাণসহ পর্যটনস্পট গজনী অবকাশের উন্নয়নও হয়েছে নজরকাড়া। কিন্তু টানা ৩ মেয়াদের পরও অভিযোগ রয়েছে, দল ও দলের দায়িত্বশীল নেতা-কর্মীদের সাথে তার কোন সমন্বয় নেই। সহযোগী সংগঠন দিয়ে সকল প্রকার কার্যক্রম পরিচালনা করে মুলদলের মধ্যে বিভক্তি সূত্রপাত হয়।  এখনও পৌঁছতে পারেননি সাধারণ মানুষের কাতারে। সেইসাথে তিনি দুই উপজেলারই দায়িত্বশীল নেতাদের পাশ কাটিয়ে নিজের অনুসারী বিশেষ কুঠুরীর নেতা-কর্মীদের নিয়ে চলেন ও মাঠ পর্যায়ে কাজকর্ম করান। যে কারণে দুটি উপজেলাতেই এমপি গ্রুপ ও এমপিবিরোধী গ্রুপের প্রকাশ্য অবস্থান রয়েছে। আর সেক্ষেত্রে এমপি বিরোধী গ্রুপের কঠোর অবস্থান। বিরোধীদের অবস্থানের কারনে ইত্যকার অবস্থায় দলের সম্ভাব্য প্রার্থী সংখ্যাও অন্য দুটি আসনের চেয়ে অনেক বেশি। তারপরও অনেকের মতে, সার্বিক বিচারে তুলনামূলকভাবে দলের ভিড় ঠেলা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ৩ বারের এমপি হিসেবে চাঁনের অবস্থানকে হালকা ভাবার কারণ নেই।বার্ধক্য জনিত কারণে চলাফেরা দায়িত্ব পালনে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ আসন থেকে ২০০১ এর নির্বাচন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে আসছেন ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের ৩ দফায় নির্বাচিত সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম। দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বরাবর শ্রীবরদী উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দলীয় মনোনয়ন দিলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজও ঝিনাইগাতী উপজেলা থেকে কেউ ওই দু’দল থেকে বারংবার চেষ্টা করার পরেও  মনোনয়ন পাননি। আর এজন্য আঞ্চলিকতার জিকির তুলে নাইম প্রার্থী হতে শুরু থেকেই ব্যাপক গণসংযোগের পাশাপাশি মাঠ চষে বেড়ান। এবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তার সেই তৎপরতায় ভিন্ন গতি এসেছে। নিজের একটা বিশেষ অবস্থানও তৈরি করেছে ইতোমধ্যে। এজন্য তিনি আগামী নির্বাচনে দলের একজন শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী। আর ২০১৪’র নির্বাচন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে মাঠে রয়েছেন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান নাসরিন বেগম ফাতেমা। দলীয় নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার পাশাপাশি তিনি নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ শীত মৌসুমে উভয় উপজেলায় বিশেষ করে সীমান্ত এলাকাগুলোতে ব্যাপক সহায়তা করে আসছেন। প্রয়াত সংসদ সদস্য এমএ বারীর পুত্র মোহসিনুল বারী রুমিও ২০১৪’র নির্বাচন থেকে দলীয় মনোনয়ন চাচ্ছেন। তবে তিনি এলাকায় অবস্থান মোটামুটি ভালো।  কালেভদ্রে নানা উৎসব-পার্বণ ও দুর্যোগে এলাকায় ফিরে নিজের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে দলীয় মনোনয়ন চাচ্ছেন শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম লিটন। দুটি উপজেলার মধ্যে একটি পৌরসভা এবং ১০টি ইউনিয়ন তার অধিক্ষেত্রের মধ্যে থাকায় এবার তিনি ভিন্ন আমেজ নিয়ে দলের প্রতিটি ইউনিটের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে মনোনয়ন পেতে আগাম তৎপরতায় ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এছাড়া সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক চাঁনের আনুকূল্যে মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া শ্রীবরদী পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলেও আগামী নির্বাচনে তিনিও দলীয় মনোনয়ন পেতে রাজনীতির অন্দরমহল তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এ নিয়ে সংসদ সদস্য চাঁনের সাথে সাময়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে লাল যোগ্য ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী হয়েও সম্প্রতি ছিটকে পড়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির প্রার্থীতা থেকে। তাছাড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার ও অগ্রণী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত জিএম, ক্লিন ইমেজের এএসএম নুরুল ইসলাম হিরো, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ইফতেখার হোসেন কাফী জুবেরী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কৃষিবিদ ফররুখ আহমেদ ফারুক সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। এছাড়া শ্রীবরদী উপজেলার চেয়ারম্যান উপজেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এডি এম শহিদুল ইসলাম দলীয় মনোনয়ন পেতে গন সংযোগের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। দলের অপর শক্তিশালী মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান খন্দকার মো. খুররম ইতোমধ্যে মারা গেছেন। আর সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক এ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হালিম এখন বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে শয্যাশায়ী। তবে মনোনয়ন এর জন্য ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী হাটে ঘাটে বাজারে মসজিদে মন্দিরে দেশে বেরিয়েছেন।  সর্বোপরি মাঠে নির্বাচনী তৎপরতায় না থাকলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে যে নামটি সর্বাগ্রে শোনা যাচ্ছে তিনি হচ্ছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্সের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশের সমুদ্র জয়ের নায়ক খোরশেদ আলম কালা। পরিচিতি ও ক্লিন ইমেজের কারণে তার রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা।

এদিকে এ আসন থেকে ১৯৯১ সনের নির্বাচনে জয়ী হন বিএনপি প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মো. সেরাজুল হক। কিন্তু ওই মেয়াদেই তিনি মারা গেলে উপনির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তারই জ্যেষ্ঠ পুত্র কনিষ্ঠ প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। এরপর ১৯৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারির কথিত একদলীয় নির্বাচনে কয়েকদিনের জন্য দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। আর ১৯৯৬ এর তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি হারলেও ফের ২০০১ এর নির্বাচনে তৃতীয় দফায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮ এর নির্বাচনে চাচা-ভাতিজার লড়াইয়ে হারলেও তিনিই ছিলেন চাচা নৌকা প্রতীকের প্রার্থী একেএম ফজলুল হক চাঁনের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। একইভাবে তিনি ২০১৪’র নির্বাচনে অংশ না নিলেও ২০১৮’র নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। এরপরও তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজের নির্বাচনী এলাকাটি গুছিয়ে রেখেছেন অতীতের চেয়েও বেশি। আর আগামী নির্বাচনে তিনি কেবল সম্ভাব্য প্রার্থী নন, বলা যায় একক প্রার্থী হিসেবেই এখন পর্যন্ত মাঠে তৎপর রয়েছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখেসহ নানা উৎসবপার্বণ আর দুর্যোগে এলাকায় নিজেকে নিয়োজিত রাখছেন সবসময়ই। তবে শোনা যাচ্ছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা, শ্রীবরদীর সন্তান চাটার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট একেএম আমিনুল হক ওরফে আবুল খায়ের এবং ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ২ বারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা এবারও দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন।
এ আসনে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের আমির নুরুজ্জামান বাদল দলগত না হলেও বিএনপি-জামায়াত জোট থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন। দুদফায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এছাড়া শ্রীবরদী উপজেলায় জামায়াতের বেশ অবস্থান রয়েছে। জাতীয় পার্টি থেকে এ আসন থেকে গত সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী প্রকৌশলী ইকবাল হাসান ও কেন্দ্রীয় যুব সংহতি নেতা আবু নাসের বাদল প্রার্থী হতে পারেন। এছাড়া এ উপজেলায় ইসলামী আন্দোলন।এছাড়া শেরপুর জেলা পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব হুমায়ুন কবির রোমান শেরপুর সদর আসন ও শেরপুর ৩ মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা যায়।  বাংলাদেশের অবস্থান থাকায় বরাবরের মতো হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হতে পারেন সাবেক জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার।

সর্বোপরি এ আসনে বিএনপি যতোটা গোছালো ও অপর দিকে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ৩ মেয়াদের উন্নয়নের পরও আওয়ামী লীগ ততোটা গোছালো নয়। বরং নেতৃত্ব দ্বন্দ্বে জর্জরিত ও বিভক্ত। যেহেতু এ আসন থেকে যখনই নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হন, তখনই দল সরকার গঠন করে বলে আসনটি লাকী আসন হিসেবে খ্যাত, তাই এ আসনে আগামী নির্বাচনে বিএনপির সাথে লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে দলের দ্বন্দ্ব  ও ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। সেইসাথে প্রার্থী মনোনয়ন দিতে হবে অনেক ভেবেচিন্তে- এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল।  জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এম পি মাহমুদুল হক রুবেল বলেন বর্তমান সরকারের অধিনে বিএনপি আর কোন নির্বাচনে অংশ নেবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...