1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :




পূবাইলে শুরু মৌসুমী শীতের পিঠা বিক্রি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনীবার্তা

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৩ বার পঠিত

পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে এলাকার সড়কের মোড়ে-মোড়ে মৌসুমী শীতেরপিঠা বিক্রি শুরু হয়েছে , এবং জানান দিচ্ছে শীতের আগমনীবার্তা।পূর্বের দিনের মত এখন আর শীতে শহরের বাড়ি-বাড়ি শীতেরপিঠা বানানোর উৎসব হয় না । তাই গরম-গরম ধোঁয়া ওঠা ভাঁপা পিঠার স্বাদ নিতে মানুষ যাচ্ছে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে-মোড়ে মৌসুমি পিঠার দোকানে। এছাড়াও বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পাড়ায়-পাড়ায় ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান খুলে বসে শীতের পিঠার দোকান সাজ্জাচ্ছে স্থানীয় এলাকার দোকানীরা।

পূবাইল এলাকার মাজুখান,মিরের বাজার,তালটিয়া,কামারগাঁও,পূবাইল কলেজ গেইট, পুবাইল বাজার,পূবাইল স্টেশন,মেঘডুবি, কুদাব, হারবাইদ,রাস্তার মোড়ে মোড়ে পিঠার দোকান রয়েছে।

এই মৌসুমী পিঠার দোকানগুলোতে বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পিঠার স্বাদ নিতে মানুষ ভীঁড় জমে। স্বল্পআয়ের পরিবারের নারী, পুরুষ এরা এই মৌসুমে বাড়তি কিছু আয় করে পরিবারে স্বচ্ছলতা আনতে পিঠা দোকানে পসরা সাজায়। শীতের প্রকোপ যতোই বাড়বে পিঠা বিক্রিও ততো বাড়বে বলে জানান পিঠা বিক্রেতা মারজাহান।

মারজাহান জানান, এই পিঠা বিক্রির টাকার লাভের অংশ পরিবারের কিছুটা হলেও স্বচ্ছলতা আনে। তিনি গত কয়েক বছর ধরে শীত মৌসুমে পিঠা বিক্রি করে থাকেন। এলাকার মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত পরিবার বাড়িতে পিঠা তৈরী করেন না। তারা রাস্তার মোড়ের বিক্রি হওয়া পিঠা কিনে বাড়িতে নিয়ে যান।পূবাইলে অনেক এলাকার বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের রান্না ঘরে মাটি চুলা নেই, নেই খড়ি দিয়ে জাল দেয়ার ব্যবস্থা। তাছাড়া পিঠা তৈরীতে অনেক ঝামেলাও আছে। রাস্তার মোড়ে-মোড়ে শুধু ভাঁপা পিঠাই নয়। বিক্রি হচ্ছে চিতইপিঠা, ডিম চিতয়ই পিঠা,কুলী পিঠা ও ঝালপিঠাসহ নানা রকমের পিঠা। সাথে আছে রকমারি ভর্তা।

পিঠা খেতে আসা ক্রেতা মাজুখান এলাকার বাসিন্দা মো: আরিফ হোসেন বলেন,আমাদের এলাকার মোড়ে পিঠা বিক্রি করা হয়। চিতই পিঠা, ডিম পিঠা বিভিন্ন রকম ভর্তা দিয়ে খেতে অনেক ভালো লাগে। বাসা বাড়িতে পিঠা তৈরি করতে ঝামেলা মনে হয়। এজন্য আমি প্রায় দিনই ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে পিঠা কিনে নিজে খাই ও পরিবারের জন্য নিয়ে যাই।

মিরের বাজারের স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন সরকার জানান, রাস্তার পাশে থেকে চিতই পিঠা কিনে নিয়ে বাড়িতে দুধ জাল দিয়ে তাতে পিঠা ছেড়ে দিলেই হয়ে যায় দুধপিঠা। ভাঁপাপিঠা হচ্ছে প্রতিটি ১০ টাকা, চিতইপিঠা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা।কুলি পিঠা,১০টাকা,তেলের পিঠা ১০ টাকা, পাটিসাপর্টা পিঠা,১৫ টাকা, করে বিক্রি করছে দোকানীরা,শীতের আমেজ পিঠাপুলির দেশ আমাদের বাংলাদেশ, এ-র ই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের পূবাইল পিছিয়ে নেই শীতের আমেজকে বরন করতে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...