1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
  5. elmaali61@gmail.com : Elma Ali : Elma Ali
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

মা-ছেলে্ই শেষ ভরসা, মামলার অজুহাতে যশোর বিএনপির নেতারা লাপাত্তা

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শুক্রবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৯৫ বার পঠিত

জেমস আব্দুর রহিম রানা: যশোরে বিএনপির আন্দোলন টিকিয়ে রেখেছেন ছেলে-মা। জেলা বিএনপির প্রায়সব নেতা গাঢাকা দিয়েছেন। মামলার অজুহাতে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আন্দোলনে তাদের সামান্যতম ভূমিকা দেখছেন না কর্মী-সমর্থকরা। এই অবস্থায় রীতিমতো সমালোচনা শুরু হয়েছে কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে।

২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশের পরের দিন থেকে যশোরে একের পর এক মামলা হচ্ছে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে। ইতিমধ্যে পাঁচটি মামলায় ৩৫০ জনের মতো আসামি হয়েছেন। জেলা বিএনপির প্রায়সব নেতা এসব মামলার আসামি। পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের নামেও মামলা হয়েছে। বাদ যাননি উপজেলা নেতারাও। এই অবস্থায় কেন্দ্র ঘোষিত হরতাল ও তিনদিনের অবরোধ পালনে রাজপথে কোনো নেতার দেখা নেই। কেবলমাত্র বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও তার মা যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে রয়েছেন। তারা দ্বিতীয় সারির নেতা এবং কর্মীদের নিয়ে পিকেটিং ও মিছিল করছেন। অন্য আর কোনো নেতাকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। এসব নেতার বক্তব্য,পুলিশ একের পর এক মামলা করছে। বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাচ্ছে। ভীতিকর অবস্থা তৈরি করছে। এ কারণে তারা যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারছেন না।

কিন্তু তাদের এই বক্তব্য মানতে নারাজ দলের কর্মী-সমর্থকরা। তারা বলছেন, গাঢাকা দিয়ে থাকার পর কি মামলা থেকে কেউ রেহাই পাচ্ছে? অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নামে কি মামলা হচ্ছে না? একের পর এক মামলা হওয়ার পরেও বিভিন্ন কৌশলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাজপথে থাকতে পারলে অন্য নেতারা পারছেন না কেন? তাদের অভিমত, রাজনীতি করতে গেলে হামলা-মামলা হবে। এর মধ্যে দিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে টিকে থাকতে হবে। কিন্তু যশোরের ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না বলে কর্মীদের দাবি। তারা বলছেন, অধিকাংশ নেতা মামলার কথা বলে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন। নেতারা যদি নিজেদের আড়ালে রাখেন তাহলে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যায় বলে জানান তারা।

কর্মী-সমর্থকরা বলছেন, একদিন হরতাল আর তিনদিনের অবরোধে যশোরের রাজপথে বিএনপির তেমন কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও তার মা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নার্গিস বেগমের নেতৃত্বে পিকেটিং ও মিছিল হয়েছে। ওইসব মিছিলে অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, পুলিশের করা একাধিক মামলার আসামিরা হচ্ছেন, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, নগর বিএনপির বর্তমান সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লক চাঁদ, সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌরমেয়র মারুফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম, জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, জেলা বিএনপি নেতা আনিছুর রহমান মুকুল, আব্দুস সালাম আজাদ, এ কে শরফুদ্দৌলা ছটলু, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব,মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান জহির ও বিএনপি নেতা মফিকুল হাসান তৃপ্তি। মামলার পর এসব নেতার ছায়া দেখতে পাচ্ছেন না কর্মীরা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলছেন, ছেলে-মা যদি ঝুঁকি না নিতেন তাহলে যশোরে আন্দোলনের প্রতিফলন ঘটতো না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...