1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ১১:৪৩ অপরাহ্ন




নানা অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষক মাহামুদুর রহমান

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৪৬ বার পঠিত

জলঢাকা প্রতিনিধি: নানা অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন প্রধান শিক্ষক। অনেক সময় বিদ্যালয় ফাঁকি দিয়ে শিক্ষা অফিসের কথা বলে ঘুরে বেড়ান এদিক সেদিক।

তবে স্কুলে অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় উপস্থিতির স্বাক্ষর ঠিকই থাকে এছাড়া বিদ্যালয়ের পড়াশোনার কোন খবর রাখেন না তিনি। ফলে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা।মহামারী করোনার কারণে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে অভিভাবক ও স্থানীয়দের সাথেও কোনো ধরনের যোগাযোগ করেন না। যা কারনে শিক্ষার্থীর উপস্থিতীর সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে।

এমন অভিযোগ উঠেছে নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলা গোলমুন্ডা ভাবনচুর কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অবিভাবকের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক মাহামুদুল হাসান নানা অজুহাতে অধিকাংশ সময় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। কোনদিন আসেন তবে ২ টার পর পরই চলে যান। পুরো সময় বিদ্যালয়ে থাকেন না।

দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় প্রধান শিক্ষক তার ইচ্ছা অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালনা করেন প্রধান শিক্ষক।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩১ অক্টোবর ২০১৩ ইং মোঙ্গলবার সরেজমিনে গোলমুন্ডা ভাবনচুর কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় সংবাদকর্মীর একটি অনুসন্ধানী টিম। কিন্তু স্কুলে গেলে দেখা যায় প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মাহামুদুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছুটি নিয়ে বাহিরে কাজে আছি বলেই কলটি কেটে দেন।

সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে জমিদাতা সদস্য ও প্রতিষ্ঠাকালীন সিনিয়র শিক্ষক আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রধান শিক্ষক কখন কোথায় য়ায় আমাদেরকে বলেন না তাছাড়া ম্যানেজিং কমিটির কোন লোক কখনো আসেনি। প্রধান শিক্ষক তার খেয়ালখুশিমতো স্কুলে আসে যায়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফা আক্তার এ বিষয়ে বলেন, আপনারা স্কুলে যেয়ে যেটা পেয়েছেন সেটা লিখেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব এ এম শাহজাহান সিদ্দিক বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

 

নাগপ্রিক ভাবনা/এইচএসএস

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...