1. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  2. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  3. news.rifan@gmail.com : admin :
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
  5. srhafiz83@gmail.com : Hafizur Rahman : Hafizur Rahman
  6. elmaali61@gmail.com : Elma Ali : Elma Ali
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন সাংবাদিককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে জীবননগরে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা মাগুরার শ্রীপুরে আ’লীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, আহত ১০, আটক দুই ঝিনাইদহে কোটা বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলায় আহত ১০ আরইআরএমপি প্রকল্পের নারীদের সঞ্চিত অর্থের চেক ও সনদপত্র বিতরণ দেবহাটায় সুদমুক্ত ঋনের চেক, হুইল চেয়ার ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বন্যার পানিতে ভেসে এলো সিকিমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর লাশ চুয়েট বাসে দুর্বৃত্তদের হামলা
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

শেরপুরে আগাম জাতের রোপা-আমন ধান কাটা শুরু

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৬৯ বার পঠিত

মিলন সরকার শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে রোপা-আমন মৌসুমের আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মাঠে মাঠে চলছে ধান কাটার ধুম। ধান কাটা নিয়ে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। পাশাপাশি কৃষাণীরাও বসে নেই তারাও বাড়ির উঠোনে দিনরাত কাজ করে চলেছেন।

এদিকে এই উপজেলায় পুরোদমে ধান কাটা শুরু হতে আরও অন্তত ১৫ থেকে ২০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে আগাম কাটা শুরু করা ধানের মধ্যে বিনা-৭, বিনা-১৭ জাতের ধানের বিঘা প্রতি ফলন হচ্ছে ১৮-২০ মণ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বললে চলতি মৌসুমের রোপা-আমন ফসল সম্পর্কে এসব তথ্য ওঠে আসে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার বরেন্দ্র খ্যাত ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে শাহবন্দেগী, মির্জাপুর, বিশালপুর, ভবানীপুর ও কুসুম্বী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত আগামজাতের ধান কাটা শুরু করেছেন।

সাধুবাড়ী গ্রামের আবু রায়হান, মামুরশাহী গ্রামের দুলাল হোসেন, পালাশন গ্রামের আব্দুস সাত্তারসহ একাধিক কৃষক জানান, এবছর রোপা-আমনের ক্ষেতে তেমন রোগবালাই ছিল না। ফলে অনেক কীটনাশক কম ব্যবহার করতে হয়েছে ।

শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলেও শেষমুর্হুতে অতি বৃষ্টির কারণে ধানের বেশ ক্ষতি হয়েছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে ফলনে। তাই কাঙ্খিত ফলন না হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় সাড়ে ২১ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু চাষ হয়েছে ২২হাজার ৪৩৩ হেক্টর জমি। যা লক্ষ্যমাত্রা চেয়ে ৪৭৩ হেক্টর বেশি। এরমধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ জমিতে ব্রি ধান-৪৯, ১৫-২০ ভাগ জমিতে বিনা-৭ ও বিনা-১৭ জাতের ধান লাগানো হয়েছে।

এছাড়া অবশিষ্ট জমিতে অন্যান্য কয়েকটি জাতের ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। ইতোমধ্যেই বিনা-৭, ব্রি ধান-৭৫ ও বিনা-৭ জাতের ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে রোগবালাইয়ের আক্রমণ ছিল না বললেই চলে। তাই এবার আমনের ফলন ভালো হবে। তবে মৌসুমের শেষমুর্হুতে এসে অতিবৃষ্টি হয়। এতে নিচু এলাকার কিছু কিছু জমি পানিতে তলিয়ে গেলেও তেমন ক্ষয়-ক্ষতি হবে না।
কারণ বৃষ্টির পানি দ্রুতই জমি থেকে নেমে গেছে। তাই পানি নেমে যাওয়া জমিতে তেমন ক্ষতি হবে না। সবমিলিয়ে বলা যায়, এই উপজেলায় এবার ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...

আপনি কি লেখা পাঠাতে চান?

সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন...

X