1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘সমাজের জন্য এক মিনিট সময় ব্যয়’ প্রজেক্টের আওতায় গ্রুপ কাউন্সেলিং মাদারীপুরে জেলা ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় পরকীয়ার জেরে যবুককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩ সাঁথিয়ায় ছাত্রলীগ নেতার কাঁটাতারের বেড়ায় অবরুদ্ধ তিনটি পরিবার, পুলিশ হস্তক্ষেপে অপসারণ কিশোরীর মৃত দেহ উদ্ধার মহেশপুর এ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পাঠক মতবিনিময় সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত যশোরের মণিরামপুরে বিপুল পরিমান জাল ব্যান্ডরোলসহ তিনজন গ্রেপ্তার মহিমাগঞ্জ বসত বাড়ির জায়গা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব মারপিটে যখম ও আহত ২ আশাশুনির বিছট স্কুলের সামনে ফাটল সোনাগাজীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কমান্ডের সাথে  উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী লিপটন’র মতবিনিময় অনুষ্টিত  




কমলনগরে ইস্তিসকার নামাজ আদায়, নামাজ শেষ না হতেই বৃষ্টি শুরু

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩
  • ৩৩৪ বার পঠিত

ইব্রাহিম সুলতান,কমলনগর প্রতিনিধিঃ জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝিতেও অনাবৃষ্টি ও দাবদাহ। সর্বত্র টানা খরা। বৃষ্টির জন্য হাহাকার পড়েছে চারদিকে। ফসলি জমি শুকিয়ে গেছে। ফলে আমন আবাদ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায় বৃষ্টি চেয়ে ইস্তিসকার নামাজ ও বিশেষ দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (০৮ জুন) সকাল সাড়ে ৬টায় লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের লরেন্স বাজার ঐতিহাসিক তাহেরিয়া ঈদগাহ ময়দানে কমলনগর ইমাম সমিতির আয়োজনে ইস্তেসকার নামাজ পড়া হয়।

উপজেলার সাবেক হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আল্লামা হযরত মাওলানা যায়েদ হোসেন ফারুকী সাহেব এ বিশেষ নামাজ ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন।

বৃষ্টি চেয়ে সালাতুল ইস্তিসকার এ নামাজে তিন শতাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।

নামাজে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা জানান, প্রচণ্ড দাবদাহ ও অনাবৃষ্টির কারণে শুকিয়ে যাচ্ছে মাঠঘাট কৃষিজমি। তীব্র খরায় ফলস উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন মানুষ।

নামাজ শেষে উপজেলার চর লরেন্স গ্রামের কৃষক মনির মিয়া বলেন, ‘চাষবাস করে আমাদের পেট চলে। কিন্তু এবার বৃষ্টি না হওয়ায় ক্ষেত শুকিয়ে গেছে। বীজ করেছি, সেগুলো রোদের তাপে পুড়ে গেছে। এখন চাষাবাদ করতে পারছি না। তাই আল্লাহর অশেষ রহমতের জন্য এ নামাজ আদায় করা হয়।’

চর জাঙ্গালীয়া গ্রামের নুরনবী বলেন, প্রচণ্ড গরম। এই গরমে মানুষ অতিষ্ঠ। বর্ষার এই মৌসুমে এমন গরম আগে কখনো দেখিনি। বৃষ্টি নেই বললেই চলে। মাঝেমধ্যে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। এতে ফসল ফলানো যাবে না। কৃষকরা খুব কষ্টে আছেন।’

নামাজ ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনাকারী মাওলানা যায়েদ হোসাইন ফারুকী বলেন, ‘এখন বর্ষা মৌসুম চলছে। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় হাহাকার চলছে। কৃষকরা চাষাবাদ করতে পারছেন না। এমন দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনসহ আনুগত্য প্রকাশে এই নামাজ আদায় ও দোয়া মোনাজাত করা হয়। আল্লাহ যেন রহমত নাজিল করেন, এটিই আমাদের উদ্দেশ্য। আলহামদুলিল্লাহ নামাজ শেষ না হতেই আল্লাহ রহমত নাযিল করেছেন আমাদের উপর।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...