1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘সমাজের জন্য এক মিনিট সময় ব্যয়’ প্রজেক্টের আওতায় গ্রুপ কাউন্সেলিং মাদারীপুরে জেলা ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় পরকীয়ার জেরে যবুককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩ সাঁথিয়ায় ছাত্রলীগ নেতার কাঁটাতারের বেড়ায় অবরুদ্ধ তিনটি পরিবার, পুলিশ হস্তক্ষেপে অপসারণ কিশোরীর মৃত দেহ উদ্ধার মহেশপুর এ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পাঠক মতবিনিময় সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত যশোরের মণিরামপুরে বিপুল পরিমান জাল ব্যান্ডরোলসহ তিনজন গ্রেপ্তার মহিমাগঞ্জ বসত বাড়ির জায়গা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব মারপিটে যখম ও আহত ২ আশাশুনির বিছট স্কুলের সামনে ফাটল সোনাগাজীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কমান্ডের সাথে  উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী লিপটন’র মতবিনিময় অনুষ্টিত  




গবাদিপশুর আটকে রাখা খোয়ার এখন বিলুপ্তর পথে

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শুক্রবার, ১২ মে, ২০২৩
  • ১৩৮ বার পঠিত

 নীলফামারী: গ্রাম-বাংলার ক্ষেত, খামার ও বসতবাড়ির উঠোনে অবাদে বিচরণ করা গবাদিপশু আটকে রাখার গারদ বা খোঁয়াড় প্রায় বিলুপ্তির পথে।

এক সময় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১টি করে খোঁয়াড় ছিল। খোঁয়াড় ইজারা দিতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাইকিং করে নিলাম ডাকা দেয়া হতো। বাংলা বছরের বৈশাখ মাস থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত ১ বছরের জন্য ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা মূল্যে খোঁয়াড় ইজারা দেওয়া হতো।

মূলত গবাদিপশুর কবল থেকে ক্ষেতের ফসল, গাছপালা রক্ষা করা এবং গবাদিপশু কতৃক শস্যক্ষেত্র বিনাশ প্রতিরোধে খোঁয়াড় পদ্ধতি ছিল উত্তম প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

তবে নীলফামারী জনপদের সমাজ, কৃষি ও উৎপাদন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি গোচারণ ভূমির স্বল্পতার কারণে বর্তমানে এই খোঁয়াড় ব্যবস্থা প্রায় বিলুপ্তির পথে।

নিতাই ইউপির ৪ নং ওয়াডের্র সাবেক খোঁয়াড় ক্রেতা আব্দুল হক বলেন, আগের মতো নিলামে খোঁয়াড় ডাকা হয় না। বর্তমানে সবাই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে গরু-ছাগল পালন করে। এতে করে ক্ষেত খাওয়ার মত ঘটনা কমে গেছে। ফলে এ অঞ্চল থেকে খোঁয়াড় ব্যবস্থা একেবারেই উঠে যাচ্ছে।

বাহাগিলী উত্তর দুড়াকুটি গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার বাবুল হোসেন বলেন, এখন হালচাষ ও পরিবহনের কাজে গরু-মহিষের প্রয়োজন হয় না। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে আধুনিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু পালন করা হচ্ছে। আলাদা ঘর নির্মান করে সেখানে গরু ছাগল পালন করছেন খামারিরা। খাওয়ানো হচ্ছে পোল্ট্রিফিড ও বিশেষ খাবার। গোচারন ভুমি কমে যাওয়ার ফলে খোঁয়াড় প্রথা প্রায় উঠে গেছে।

একই ইউপির উত্তর দুরাকুটি গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক খোঁয়াড় ক্রেতা মুকুল বলেন, গত বছর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৫শত টাকায় খোঁয়াড় কেনা হয়েছিল। কিন্ত গরু-ছাগল খোঁয়াড়ে না আসায় টাকা উঠানো সম্ভব হয়নি। তাছাড়া নির্ধারিত হারে টাকা নিয়ে গরু-ছাগলের জেল জরিমানা করা হয়। বোধহীন প্রাণীকে মানুষের বিচারের মুখামুখি করা অমানবিক কাজ। যার কারণে চলতি বছর খোঁয়াড় কেনা হয়নি।

সদর ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি গ্রেনেড বাবু বলেন, খোঁয়াড় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে এই প্রথা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

 

নাগরিক ভাবনা/এইচএসএস



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...