1. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  2. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  3. news.rifan@gmail.com : admin :
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
  5. srhafiz83@gmail.com : Hafizur Rahman : Hafizur Rahman
  6. elmaali61@gmail.com : Elma Ali : Elma Ali
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোড এক্সিডেন্টে আবারো ঝরে পড়ল তরতাজা একটি প্রাণ কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক এসপিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে দুদকের চার্জশিট দাখিল শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়নের জাদুকর – শ ম রেজাউল করিম এমপি বাগমারায় অনলাইন জুয়ার কালো থাবায় নিঃস্ব হচ্ছে তরুণ-যুব সমাজ পঞ্চগড়ে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ দুদকের অভিযান নড়াইলে সাংবাদিকের পরিবারের উপর হামলা ও প্রান নাশের হুমকির অভিযোগ ঘণ্টাখানেকের বৃষ্টিতেই ডুবে যায় রাজধানী নবীনগর থানা প্রেসক্লাবের ত্রিবার্ষিক কমিটি গঠন সভাপতি জসিম সম্পাদক রুবেল কালকিনিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৫ স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

রোজা অবস্থায় যে কাজগুলো থেকে বিরত থাকতে হয়

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৫৬ বার পঠিত

শরিয়তে এমন কিছু কাজ রয়েছে, যা রোজার দিন ছাড়া বৈধ, কিন্তু রোজা পালনরত অবস্থায় সেগুলো করা যায় না।

যেমন- ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগ। এর দ্বারা রোজা ভেঙে যায়। সুরা বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তোমরা সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত পানাহার করো, অতঃপর রাত আসার আগ পর্যন্ত রোজা পালন করো। মসজিদে যখন তোমরা এতেকাফ অবস্থায় থাকবে, তখন নারী সম্ভোগ থেকে বিরত থাকবে।’

সাধারণ অবস্থায় পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগ হালাল হওয়া সত্ত্বেও রমজানে দিনের বেলা এগুলো থেকে বিরত থেকে তাকওয়ার অনুশীলন করা হয়। তা এভাবে যে, আল্লাহর নির্দেশের কারণে পুরো বছর যা হালাল ছিল, তাই হারাম হয়ে গেছে। তাহলে যা আগে থেকেই ১২ মাস হারাম-অশ্লীল ও গোনাহ, তা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। আর রমজানে তা থেকে বিরত থাকা তো আরও বেশি।

যে বিষয়গুলো সাধারণতভাবেই মেনে চলা যায় কিন্তু অনেকে না জেনেও করে ফেলছেন। ঠিক সে রকম কয়েকটি বিষয় হলো-

১. দৃষ্টিকে গুনাহ থেকে বিরত রাখা-
যেমন—যে কোনো নারী বা মেয়েদের খারাপ দৃষ্টিতে দেখা, সেটা থেকে নিজেকে হেফাজত করা। তা সরাসরি দেখা হোক বা টিভি-সিনেমায় দেখা হোক বা ম্যাগাজিন ও পত্রিকার ছবিতে হোক। অনেকে রোজা রেখে অবসর সময় নাটক-সিনেমা দেখে কাটান। এতে তাদের রোজার সওয়াব কমে যায়।

২. মুখের হেফাজত করা-
মিথ্যা, গিবত, পরনিন্দা, অশ্লীল কথাবার্তা ও ঝগড়া থেকে বিরত থাকা। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি রোজা অবস্থায় মিথ্যাচার ও মন্দ কাজ ত্যাগ করেনি, তার পানাহার ত্যাগে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ (বুখারি ১৯০৩)। অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘রোজা অবস্থায় তোমাদের কেউ যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং শোরগোল, হট্টগোলে লিপ্ত না হয়। যদি কেউ তার সঙ্গে গালিগালাজ বা মারামারি-কাটাকাটিতে লিপ্ত হতে চায়, তবে সে (অনুরূপ আচরণ না করে) বলবে, আমি রোজাদার।’ (সহিহ বোখারি : ১৯০৪)।

এতে থেকে বোঝা যায়, রোজা অবস্থায় মারামারি ও ঝগড়া তো দূরের কথা, শোরগোল করাও রোজার আদব পরিপন্থী। তাই জবানকে এসব থেকে বিরত রেখে সর্বদা জিকির-আসকার ও কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে তরতাজা রাখতে হবে।

৩. কানের হেফাজত করা-
রোজা রেখে গান-বাজনা, গিবত, পরনিন্দা ও অশ্লীল কথাবার্তা শোনা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৪. খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখা-
অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখা। যেমন—হাত-পা ইত্যাদিকেও গুনাহ ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখা।

৫. সেহরি ও ইফতারে হারাম খাবার পরিহার করা-
ইমাম গাজালি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘যে ব্যক্তি সারাদিন রোজা রেখে হারাম মাল দ্বারা ইফতার করে, সে যেন একটি অট্টালিকা নির্মাণ করে, আর একটি শহর ধ্বংস করে।’

৬. অন্তরকেও গুনাহ থেকে বিরত রাখা-
রোজা রেখে গুনাহের কাজের কল্পনা করা, পেছনের গুনাহের কথা স্মরণ করে স্বাদ গ্রহণ করা, অহংকার, হিংসা, কুধারণা ইত্যাদি থেকে অন্তরকে হেফাজত করা।

n/v

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...

আপনি কি লেখা পাঠাতে চান?

সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন...

X