1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দ্বিতীয় ধাপে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলায় আগামীকাল ভোট গ্রহন কালিয়াকৈরের অভিভাবক হবেন কে?  জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোন কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান  আমতলীতে তারুণ্যের আলো কেন্দ্রীয় যুব ফোরামের বার্ষিক সমাবেশ-২০২৪ পালন  হোমনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ হাঁক-ডাক নেই, লেইস ফিতা লেইস রাত পোহালেই কালকিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রংপুরে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত লামায় রাত পোহালে ভোট প্রশাসন প্রস্তুত, শেষ হাসিটা কার হবে, অপেক্ষার প্রহর গুনছে জনতা চিলমারীতে বিধি বহির্ভূতভাবে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন




আমরা কেন ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করবো !

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৬৭ বার পঠিত

বর্তমানে আমাদের সমাজে যেসব অপরাধমূলক কাজগুলো হচ্ছে তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ধর্মীয় শিক্ষার অভাব। নৈতিক শিক্ষাটি আমরা ধর্মীয় শিক্ষা থেকে গ্রহণ করতে পারি, যা বর্তমান সময়ে বড়ই অভাব। কোনো ধর্মই হিংসা, হানাহানি – মারামারি শেখায় না। ধর্ম শেখায় আমাদের সৃষ্টিকর্তাকে ভালোবাসতে আর সৃষ্টিকর্তার সকল সৃষ্টিকে। সকল ধর্মগ্রন্থকে যে হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করে, ভালোবাসে তার পক্ষে কোনো অপরাধমূলক কাজে যুক্ত হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তাই সকলকে ধর্মগ্রন্থ পড়তে হবে। ধর্ম সম্পর্কে জানতে হবে।

শিশুদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত রাখতে তাদেরকে নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে, যা ধর্মীয় শিক্ষা থেকে পাওয়া যাবে। বর্তমান সময়ে অভিভাবকদের তার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ অনেক প্রকার কম। যার ফল ভয়াবহ। সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষা না দেওয়ার ফলে তারা বড় হলে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িত হয়ে যায় এবং পিতা – মাতাকে মূল্যায়ন করেনা। এই ধরণের ঘটনা আমরা প্রতিনিয়ত দেখে আসছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তাই এখন থেকে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। সকল শিশুকে এখন থেকে তাদের নিকটস্থ নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষাকেন্দ্রে পাঠাতে হবে। সে যে ধর্মেরই হোক না কেন। ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করলেই তারা পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।

তাই বলা যায়, ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমেই আমরা একদিন সমাজ থেকে ‘ অপরাধ ‘ নামটি মুছে দিতে পারবো।ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবো পুরো সমাজ। সমাজে থাকবেনা কোনো জাতিভেদ, থাকবেনা কোনো ধর্মীয় ভেদাভেদ। আমরা প্রকৃত মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে পারবো।

লেখক প্রিতময় সেন, খাগড়াছড়ি।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...