1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
  5. elmaali61@gmail.com : Elma Ali : Elma Ali
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা শীঘ্রই 09602111973 অথবা 01819-242905 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

কে হচ্ছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি ?

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১২৯ বার পঠিত

সেবা ডেস্ক : দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন আজ রবিবার (১২ এপ্রিল)। এদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে নির্বাচন কর্মকর্তার (সিইসি) দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। এদিকে এটা স্পষ্ট যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যাকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করবে, তিনিই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন। তবে দলটির মনোনীত প্রার্থী কে হচ্ছেন সেটা এখনও জানানো হয়নি। শেষ সময়ে দুই / তিনটি নামের বিষয়ে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। রবিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় বিষয়টি খোলসা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও ব্যক্তির পক্ষে কোনও ফরম সংগ্রহ করা হয়নি। অবশ্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা-১৯৯১ এর বিধান মতে ফরম সংগ্রহ করতে হবে এমন কোনও বাধ্যবাধকতার কথা বলা নেই। নির্বাচন কমিশনের কয়েকজন কর্মকর্তারাও একই কথা জানান। তারা বলেন- আইন ও বিধিমালায় ফরম দাখিলের কথা বলা আছে। বলা আছে দাখিলের আনুষ্ঠানিকতার কথাও।জানা গেছে, নির্বাচন বিধিমালায় মনোনয়ন ফরম (ফরম-ক) এর কথা উল্লেখ আছে। সেখানে ফরমের নমুনা দেওয়া রয়েছে। তবে, ওই ফরম ইসি থেকেই সংগ্রহ করতে হবে এমনটি বলা নেই। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফরমের কথা যেভাবে বলা আছে তাতে কেউ চাইলে ইসি থেকে ফরম সংগ্রহ করে তা জমা দিতে পারেন। আবার চাইলে নমুনার হুবহু ফরম নিজেরা তৈরি করে জমা দিতে পারে। তবে দাখিলের সময় তাতে প্রার্থীর পাশাপাশি প্রস্তাবক ও সমর্থক হিসেবে দুইজন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর থাকতে হবে। একজন এমপিকে উপস্থিত থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, অন্যান্য নির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময়ে ভোটার তালিকা / সিডি সংগ্রহ করার বিধান থাকায় অর্থের বিনিময় তা সংগ্রহ এবং মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জামানত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় ব্যাংক ড্রাফট জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ দুটির কোনোটিরই দরকার নেই। ফলে ফরম সংগ্রহের আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন পড়ে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনও দলের থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে এমন কোনও তথ্য তার কাছে নেই। তিনি ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট দফতরে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন কেউ ফরম নিতে আসেননি। তারা হয়তো রবিবার ফরম সংগ্রহ করে পূরণ করে জমা দিতে পারেন। বা অন্যভাবে সংগ্রহ করে জমা দিতে পারে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আগামীকাল কখন আসতে পারে এ বিষয়েও অবহিত নন এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, সকাল ১০টা থেকে যেহেতু সময় শুরু হবে, ফলে তার পরে নিশ্চয় আসবে। সেক্ষত্রে হয়তো ১১টার দিকে আসতে পারে। এদিকে শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া জানান, রবিবার সকালে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেবেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনে মনোনয়নপত্র দাখিল সম্পর্কে বলা আছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য নির্ধারিত দিনে ও সময়ের মধ্যে কোনও সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনও ব্যক্তিকে ওই পদের জন্য মনোনীত করে নির্বাচনি কর্তার কাছে একটি মনোনয়নপত্র দিতে পারবেন। যে মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসাবে তার স্বাক্ষর থাকবে এবং সমর্থক হিসাবে অন্য একজন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর থাকবে। সেইসঙ্গে যিনি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত হতে যাচ্ছেন, তারও ওই মনোনয়নে সম্মতিসূচক স্বাক্ষরিত বিবৃতি থাকবে। তবে প্রস্তাবক বা সমর্থক হিসেবে কোনও সংসদ সদস্য একটির বেশি মনোনয়নপত্র সই করবেন না। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংসদ সদস্যরা। চলতি সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা আছে। ফলে আওয়ামী লীগ যাকে প্রার্থী মনোনয়ন করবে তিনিই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হবে। তিনি টানা দুই মেয়াদে এই পদে আছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুষায়ী আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট গ্রহণের নির্ধারিত তারিখ। তবে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনও দল কাউকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা নেই। এর বাইরে অন্য কোনও প্রার্থীও এখন পর্যন্ত নেই। একক প্রার্থী হলে শেষ পর্যন্ত আর ভোটের প্রয়োজন হবে না। এক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি একক প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ভোট গ্রহণ হবে। ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনের পর পরোক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি শুরু হয়। এরপর থেকে এ পর্যন্ত সাতটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টির ক্ষেত্রে একক প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। কেবল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর নির্বাচন নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েছে। ওই সময় ক্ষমতাসীন বিএনপির মনোনিত প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাসের বিপরীতে বিরোধী দল আওয়ামী লীগ সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী মনোনয়ন দেয়। ওই নির্বাচনে আব্দুর রহমান বিশ্বাস পান ১৭২ ভোট ও বদরুল হায়দার চৌধুরী পান ৯২ ভোট।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...