1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় চলন্ত মোটরসাইকেলে আগুন, নিহত-১ দেশসেরা ক্যাডেট ইনসেন্টিভ এওয়ার্ড পেলেন কুবি বিএনসিসির সিইউও সাদী  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া  রমজানে কোনো পণ্যের দাম বাড়বে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদনগরে নব-নির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত গরীবের পাসেই থাকবো: মুর্শিদ বাঘায় আম বাগান ও ফসলি জমিতে পুকুর খননের হিড়িক সক্রিয় আন্তঃজেলা অপরাধী চক্র, অতিষ্ঠ বলেশ্বর নদীর দুপারের মানুষ উজিরপুরে ডিবির হাতে ২ কেজি গাজা সহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার বাহার ও রয়েল ডায়াগণষ্টিক সেন্টারকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা




হাত পাততে লজ্জা করে, ওজন মেপে সংসার চালাই বাহে

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১০০ বার পঠিত

এ কে জায়ীদ বেরোবি প্রতিনিধি: প্রতিবন্ধী রায়হান মিয়া। বয়স (আনুমাণিক) ৩৫। ঘরে আছে প্রতিবন্ধী স্ত্রী, বৃদ্ধ মা ও এক চার বছরের ছেলে নিয়ে বসবাস, করছে মানবেতর জীবন যাপন। রংপুরে পার্কের মোড়ের সিদ্দিক মোমোরিয়াল স্কুলের পাশে ছোট একটি বাড়িতে বাসবাস।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস চালু থাকলে ওজন মাপার যন্ত্র নিয়ে বসে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তার এক পাশে। কেউ ওজন মাপলে ৫ টাকা পায়। যা পায় তাই নিয়ে সংসার চালাতে হয়। সাপ্তাহে চার দিন খোলা থাকে বিশ্ববিদ্যালয় এই চার দিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসে থাকে রায়হান মিয়া। বাকী তিন দিন বেশির ভাগ সময় ঘরে বসে অসল কাটাতে হয়।

এই দিকে প্রতিবন্ধী মোফেলা বেগমকে (৩০) বিয়ে করে কয়েক বছর আগে। মোফেলা জন্মের পর থেকেই শরীরে পায় না কোন শক্তি। হাত, পায়েও নেই কোন শক্তি। ওজনের জিনিস হাতে দিয়ে তুলতে পারে না। বেশি দূর হাঁটতে পারে না, মাটিতে পারে যায়। এই দিকে বৃদ্ধ মা প্রায় সময় অসুস্থ থাকে কেউ একজন অসুস্থ হয়ে গেলে দেখার কেউ নেই। রায়হান মিয়া বুক ভরা কষ্ট নিয়ে বলেন, “আল্লাহ ভালো জানে। আল্লাহ ছাড়া আর কেউ দেখার নাই, আল্লাহ দেখবে।”

রায়হান মিয়া বলেন, ” সপ্তাহে চার দিন যা টাকা পাই তা দিয়ে সাত দিনে বাজারের টাকা হয় না। বাজারে গেলে চাল কিনলে তেল কিনতে পারি না , ডাল কিনলে ঔষধ কিনতে পারি না। বাজারে যে দাম রে বাহে। তার পরেও ওজন মেপে সংসার চালাই বাহে, হাত পাততে লজ্জা করে”।

এই সকল কষ্ট দেখে বৃদ্ধ মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে।

বাম হাত দিয়ে চার্জে অটোরিকশা চালতে পারলেও এক্সিডেন্ট হবে বা নষ্ট হয়ে যাবে এর ভয়ে কেউ ভাড়া দেয় না৷ রিকশা কিনার শক্তিও নাই।

ঈদে নতুন জমা কিনার ইচ্ছে করে অভাবের কারণে কিনতেও পারে না। ছোট ছেলেকেও প্রতি ঈদে নতুন জামা দিতে পারে না। স্বপ্ন ছিল কোরবানি ঈদে কুরবানি দিয়ে মন ভরে মাংস খাবে কিন্তু এই ভাগ্যে কখনো জুটে নাই। সরকারি ভাতা ছাড়া কেউ হাত বাড়িয়ে দেয় নাই কখনো।

ছোট ছেলে কুরআনের হাফেজ বানানোর ইচ্ছে যাতে জানাজার নামাজটা যাতে পড়াতে পারে। সবার চোখে যাতে একজন ভালো মানুষ হয়ে থাকতে পারে।

রায়হান মিয়া বলেন, আমি চার্জের অটো রিক্সা চালাতে পারি কিন্তু কেউ দেয় না। এত দাম কিনার শক্তি আমার নেই। একটা অটো কিনলে ১ লক্ষ বা দেড় লক্ষ টাকা লাগে।আমাকে কেউ যদি অটো ব্যবস্থা করে দিত বা সিকিউরিটি গার্ডের একটা ব্যবস্থা করে দিত তাহলে আমি হয়তো ভালো ভাবে পারিবার চলতে পারতাম।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...