1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:১৯ অপরাহ্ন




সারা দেশে ৩৩ ও হাওড়ে ৯০ শতাংশ ধান কাটা শেষ: কৃষিমন্ত্রী

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১২২ বার পঠিত

সারা দেশে ৩৩ ও হাওড়ে ৯০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার (৩০ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বোরো ধান নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সাধারণত প্রতিবছর ৫০ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা হয়। বোরো চাষের জন্য চলতি বছর ৪৯ লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমি চাষের টার্গেট ছিল। তবে এবার ৫০ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে, যা টার্গেটের চেয়েও বেশি। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ ও হাওড়ে ৯০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘হাওড়ে ধান কাটা চরম ঝুঁকিপূর্ণ। আগে প্রতিবছরই দেখতাম কিছু না কিছু হাওড় এলাকা ডুবে যেত, ধান নষ্ট হতো, কৃষকরা তাদের ধান ঘরে তুলতে পারত না।’

এবার হাওড়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ও উঁচু জায়গাও বোরো চাষ হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, হাওড়ে সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা হয়েছে। হাওড়ে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৮ লাখ টন।

এদিকে কৃষকদের তাড়াতাড়ি ধান কাটতে উৎসাহিত করায় অধিকাংশ ধান কাটা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘চলতি বছর এখন পর্যন্ত খবর হলো, হাওড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ৯০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। সুনামগঞ্জে ১০০০ কম্বাইন হারভেস্টার ও ৬৬৮টি রিপার ধান কেটেছে। এবার তেমন বন্যাও আসেনি। এটা আমাদের একটা বড় অর্জন।’

হাওড়ে বন্যা আসার আগে যাতে ধান কাটা যায়, তেমন জাত নিয়ে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন বলেও জানান আব্দুর রাজ্জাক। মন্ত্রী বলেন, এবার বোরোতে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ কোটি ১৫ লাখ টন। তবে ২ কোটি ২০-২৫ লাখ টন উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ সময় খাদ্য নিয়ে সমস্যা না হওয়ার আশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে সারা দেশের ৩৩ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। একটা ভালো অগ্রগতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলেই রয়েছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিতে ধানের ক্ষতি হয়েছে কি না, জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘শিলাবৃষ্টিতে স্থানীয়ভাবে কিছুটা ক্ষতি হয়। এতে একটি-দুটি গ্রামে ধানের ক্ষতি হয়। ব্যাপক যে ক্ষতি হওয়া, এবার শিলায় সেটি হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর যে ক্ষতি হয় এবারও তাই হবে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক অবস্থায় এটি হওয়া স্বাভাবিক।

সেচপ্রথার উন্নয়নের সঙ্গে এখন বোরো প্রধান ফসল হয়ে গেছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ধান কাটা ও উৎপাদনের মূল মৌসুম হলো বোরো। আগে বোরো উল্লেখযোগ্য কোনো ফসল ছিল না। বিলে সেচ দিয়ে খুব সীমিত আকারে এ ধানের চাষ করা হতো। উৎপাদনও কম ছিল।

এখন পর্যন্ত ধান বিক্রিতে চাষিদের কোনো অভিযোগ নেই বলেও জানান আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, এবার ধানের দাম মোটামুটি ভালো। চাষিরা এরই মধ্যে ধান বিক্রি শুরু করেছে।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...