পর্যটক হয়রানীর অভিযোগে ১৯ দালাল আটক, মুলহোতা স্পা সায়েম অধরা - Nagorik Vabna
  1. info.nagorikvabna@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. holysiamsrabon@gmail.com : Holy Siam Srabon : Holy Siam Srabon
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Mohaiminul Islam : Mohaiminul Islam
  5. ranadbf@gmail.com : rana :
  6. rifanahmed83@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  7. newsrobiraj@gmail.com : Robiul Islam : Robiul Islam
পর্যটক হয়রানীর অভিযোগে ১৯ দালাল আটক, মুলহোতা স্পা সায়েম অধরা - Nagorik Vabna
সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
দেশব্যাপী প্রচার ও প্রসারের লক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা সিভি পাঠান info.nagorikvabna@gmail.com অথবা হটলাইন 09602111973-এ ফোন করুন।

পর্যটক হয়রানীর অভিযোগে ১৯ দালাল আটক, মুলহোতা স্পা সায়েম অধরা

  • সর্বশেষ পরিমার্জন : শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ রাসেল কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের কলাতলী ডলফিন মোড়ে আবাসিক হোটেল দালাল চক্রের ১৯ জনকে পর্যটক সেজে আটক করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। তবে মুলহোতা স্পা সায়েম এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তাকে আটক করলেই এ দালালদের দৌরাত্ম কমবে বলে জানান পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

আটকরা হলেন, জাফর আলম (৩৮), মো. আব্দুলাহ (১৮), ইসমাইল (২৪), ইব্রাহীম (৩৭), নুর আলম (২৬), চাঁদ মিয়া (১৯), নজু আলম (৩৫), রুবেল (২৬), জুয়েল মিয়া (৩২), সাদেকুর (২৬), সৈয়দ নুর (৩০), সাহিদ (২৬), হেলাল উদ্দিন (৪০), সাগর (২৩), গিয়াস উদ্দিন (৩৩), সৈয়দ আলম (৩৬), মো. হোসেন (৪৭), রবিউল হাসান (২০) ও ইমরান (২১)।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে কলাতলী মোড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, এই চক্রটির সদস্যরা ভোরে ডলফিন মোড়ের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে। পরে পর্যটকরা বাস থেকে নামলে তাদের লাগেজ নিয়ে টানাটানি করে। একপর্যায়ে জোরপূর্বক হোটেলের রুম নিতে বাধ্য করে তারা। বিভিন্ন সময় পর্যটকদের হোটেল দেখিয়ে দেওয়ার নাম করে নির্জন জায়গায় নিয়ে তাদের সব কিছু লুট করে নেয় তারা।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের অটোরিকশার চালকরা হোটেল খুঁজে দেওয়ার নাম করে নিম্নমানের রুম দিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করত। এই চক্রটির সদস্যরা শেষ রাত থেকে ডলফিন মোড়ের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করত। তাদের কেউ কেউ অটোরিকশা চালক হিসেবে পর্যটকদের অল্প ভাড়ায় ভালো হোটেলে নিয়ে যাবে বলে তাদের চুক্তি করা হোটেলে নিয়ে যেত এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ ব্ল্যাকমেইল করত। এই চক্রের কিছু সদস্য পর্যটকদরর ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি তুলে টাকা হাতিয়ে নিত। গত কয়েক বছর ধরে এ চক্রটি কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের পতিতালয়ে নিয়ে ফাঁদে ফেলে আসছে।

তিনি আরও বলেন, চক্রের সদস্যদের ভাড়া করা কটেজে নিয়ে নিরীহ মানুষদের আটক রেখে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করা হত। আর দাবি করা টাকা দিতে অস্বীকার করলে চক্রের নারী সদস্যদের সঙ্গে ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি তুলে ভয় দেখিয়ে তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদায় করত চক্রটি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, এসব বিষয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আমাদের নজরে আসে। আমি আমার টিম নিয়ে পর্যটকদের ছদ্মবেশে এই অভিযান পরিচলনা করি। আটকরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কাজ করছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই কাজে ট্যুরিস্টজোনে ৪-৫টি গ্রুপ গড়ে উঠেছে। সরকার দলীয় কয়েকজন নেতা তাদের একাজে শেল্টার দেন এবং আর্থিক সুবিধা নেন বলে জানতে পেরেছি। আটকদের এ ব্যাপারে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

কলাতলী ও হোটেল-মোটেল জোনের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, কলাতলী কেন্দ্রীক গড়ে উঠেছে বঙ্গবন্ধু গ্রুপ, বিজয়গ্রুপ, মালেক গ্রুপ ও জাফরগ্রুপ নামে কয়েকটি সিন্ডিকেট। বঙ্গবন্ধু গ্রুপটি বর্তমানে ভাই ভাই গ্রুপ নামে পরিচিত। কলাতলী এলাকার ভুট্টো, বাহারছড়া এলাকার মনিয়া ও মালেক এবং চন্দ্রিমা এলাকার জাফর এসব গ্রুপে নেতৃত্ব দেন। তবে গতকালের অভিযানে জাফর আটক হয়েছেন বলে জানা গেছে। ৪টি গ্রুপ থেকে টাকা তুলেন কলাতলী এলাকার কায়েম মাঝি প্রকাশ বার্মাইয়া মাঝির ছেলে স্পা সায়েম। সে নিজেকে জেলা ছাত্রলীগ নেতা বলেও পরিচয় দেয়। মুলতঃ ৪টি গ্রুপ থেকে দৈনিক টাকা তোলার দায়িত্বে আছে জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনানের ঘনিষ্টজন হিসেবে এই স্পা সায়েম।




আরো সংবাদ পড়ুন







নাগরিক ভাবনা লাইব্রেরী

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031