1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গুরুদাসপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধন মাদারগঞ্জে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ পালিত আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সাঁথিয়ায় মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ গাজীপুরে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, ১০টি দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হোমনায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীব উদ্বোধন সোনাগাজীতে কবরস্থানের জন্য জমি দান করে,নজির গড়লেন হিন্দু পরিবার হরিপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ ইসরায়েলের সঙ্গে গুগলের চুক্তি, বিরোধিতা করায় চাকরি গেল ২৮ কর্মীর গাজা: বিমান হামলায় বেঁচে যাওয়া বালকের প্রাণ গেল সাহায্য নিতে গিয়ে




সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩
  • ১২৪ বার পঠিত

লক্ষীপুর: জেলার রামগতি উপজেলার প্রায় ২০০ বছরের পুরানো ঐতিহ্যবাহী আলেকজান্ডার বাজার হাট। প্রতি বছর রা বলেন, হাট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উর্ধ্বতন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অবিলম্বে বাজারের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।আর কোটি কোটি টাকার ব্যবসা পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। এরপরও নানা সমস্যায় জর্জরিত বাজার টি। ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় পুরো হাট এলাকায়। নোংরা আবর্জনা আর খানাখন্দের কারণে ব্যবসা করতে গিয়ে চরমভাবে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন শত শত ব্যবসায়ী। বিশেষ করে বৃষ্টির এই সময়ে ভোগান্তির যেন শেষ নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই হাটের অলিগলিসহ কয়েকটি প্রবেশ পথ পানিতে ডুবে যায়। ফলে হাটে বেচাকেনা করতে আসা হাজারও মানুষ পড়েন সীমাহীন দুর্ভোগে। এক-দুই বছর নয়, এই দুর্ভোগ চলছে হাটের জন্মলগ্ন থেকেই।

সপ্তাহে দু,দিন অর্থাৎ মঙলবার আর শুক্রবার এখানে বাজার । এক দিনেই এখানে কোটি টাকার ব্যবসা-বাণিজ্য হয়। এছাড়া প্রতিদিন হাটের বাজার এবং দোকানগুলোতে লাখ লাখ টাকার ক্রয়-বিক্রয় হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই হাট ও বাজারটির দুর্ভোগের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মানুষ। সামান্য বৃষ্টিতে হাটের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় দেখা দিয়েছে জনদুর্ভোগ। সামনে বর্ষা এবং অবিরাম বৃষ্টিতে অচল হয়ে পড়বে এমন আতঙ্কে রয়েছে সেখানকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। দীর্ঘদিনেও এই অবস্থার কোনো প্রতিকার মেলেনি।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন ঐতিহ্যবাহী আলেকজান্ডার বাজার সপ্তাহে ২ দিন অর্থাৎ শুক্রবার আর মঙ্গলবার বাজার বসে। এখানে রামগতির সর্ববৃহৎ বাজার বিধায় ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য আসেন এ বাজারে । তবে জলাবদ্ধতা ছাড়াও বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে এই হাটে। রাস্তায় বিদ্যুতের খুঁটিতে নেই কোনো ল্যাম্প। ফলে রাতের বেলায় অনেক সমস্যা হয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের। আলেকজান্ডার বাজার থেকে সরকারের লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হলেও, বিন্দু মাত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

অল্প বৃষ্টি হলেই বাজারের পুরাতন গরু হাটাসহ বিভিন্ন স্থানে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সব ধরনের কর, ট্যাক্স প্রদান করলেও নূন্যতম নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। এই দুর্দশা দেখার মতো যেন কেউ নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই।

কাপড় ব্যবসায়ী সোহাগ জানান, সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায় হাটের গলির পথ। যার ফলে দুই একদিন আর এই পথে কোনো ক্রেতা অসেন না।

প্রতি হাটে দুধ কিনতে আসা জীবন ঘোষ বলেন, ‘৩০ বছর ধরে এই হাট এবং বাজার থেকে দুধ কিনে ছানা তৈরি করে মিষ্টি বানাই। হাট বাজারের অবস্থা এতোই শোচনীয় যে, সামান্য বৃষ্টি হলে হাটে প্রবেশ করা যায় না। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে অন্যত্র গিয়ে দুধ কিনতে হয়।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাসস্ট্যান্ড, ধান হাটা, দুধ বাজার, মাছ বাজার, চাউল বাজারসহ ৭টি স্পটে একই রকম বেহাল দশা। গরু হাটসহ আশপাশের নানা জায়গায় ৫ থেকে ১০ মিনিটের বৃষ্টিতেই হাটু পানি জমে পুরো বাজার প্লাবিত হয়ে হয়ে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সদস্য জানান, আলেকজান্ডার বাজার বাসস্ট্যান্ড, ধান হাটা ও গরু হাটার কয়েকটি স্থানে নলকূপ ও শৌচাগার নির্মাণ করা দরকার। তা না হলে অল্প বৃষ্টির পানিতেই সেগুলো ভরাট হয়ে যায়। ফলে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার না করায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে যত্রতত্র প্রস্রাব ও মলত্যাগ করায় উৎকট গন্ধে দোকানদার ও হাটুরেদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তবে পরিকল্পিত ও মানসম্মত উন্নয়ন কাজ না করায় রাস্তা-ঘাট ও বাজারের এমন অবস্থা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক কে ফোন একাধিক বার কল করেও পাওয়া যায়নি, কমিটির অন্য একজন এ বিষয়ে বলেন বাজারের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। তিনি দ্রুত সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)এস এম শান্তনু চৌধুরী বলেন, ‘বৃহত্তম আলেকজান্ডার বাজারের সমস্যাটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাতে তাড়াতাড়ি হাটে ক্রয়-বিক্রয় করতে আসা মানুষজনের ভোগান্তি পোহাতে হবে না।

 

নাগরিক ভাবনা/নুর /এইচএসএস



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...