1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন




যুবলীগ নেতাকে নির্যাতনের ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ওসি প্রত্যাহার

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩
  • ১৫০ বার পঠিত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান পুলক কে অমানবিক নির্যাতন করে হাত ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় সদর থানার ওসি সহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলায় হয়েছে। এরই পেক্ষিতে ওসি কামাল হোসেনকে প্রত্যাহার করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। এর আগে গত বুধবার ১০ মে আহত জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান পুলক সদর থানার ওসি কামাল হোসেন, পরিদর্শক (অপারেশন) মোঃ লতিফ, এসআই খোকা চন্দ্র রায়, হাফিজ ও এএসআই মোতালেবের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন।

জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশীদ শুনানি শেষে মামলা গ্রহণ করতে জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেওয়া হয়। সেই সাথে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্যাতিত যুবলীগ নেতার শারীরিক ও চিকিৎসা প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন বলে জানান পুলকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম।

এদিকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় সন্তুষ্ট আইনজীবী ও বাদী আসাদুজ্জামান পুলক। ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান পুলক বলেন, আদালতে মামলা করা হয়েছে আশা করি ন্যায় বিচার পাব।

উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল রাতে শহরের পাবলিক ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত বৈশাখী মেলা থেকে যুবলীগ নেতা রকিকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান পুলক ঘটনাস্থলে যান এবং রকিকে আটকের বিষয়টি জানতে চান। তখন পুলিশের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে পুলিশ পুলককে থানায় নিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় রাতভর অমানবিক নির্যাতন করে। এক সময় ওই যুবলীগ নেতা অসুস্থ হয়ে গেলে পরেরদিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা গুরুতর দেখে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি রাখতে বললে ডাক্তারকে রিলিজ দিতে বাধ্য করেন ওসি। এরপর কারাগারে নিয়ে গেলে কারা কর্তৃপক্ষ পুলকের অবস্থা দেখে আটকিয়ে রাখতে অস্বীকৃতি জানায়। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় ফোন দিয়ে জেলারকে বাধ্য করেন তিনি বলে জানা যায়।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...