1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ঝিনাইদহ জেলা আনসার অফিসে সাংবাদিক লাঞ্ছিত সলঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রী পরকীয়া প্রেমিক স্কুল ছাত্রের ঘরে গাজীপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে  মানববন্ধন  কিশোরগঞ্জে নিখোঁজের ২৫ দিন পর ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে যুবককে পিটিয়ে হত্যা আটোয়ারীতে নির্মানাধীন ভবনের পিলার ভাংচুরে আদালতে মামলা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস রেললাইনে, অল্পের জন্য বেঁচে গেল হাজার যাত্রী মঠবাড়িয়ায় বৃষ্টির জন্য খোলা আকাশের নিচে কাঁদলেন মুসল্লীরা রাবির ছুটি পুনর্বিন্যাস; আপাতত নেই কোনো বন্ধ ফেনীতে আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস-২০২৪ উদযাপন




মাদারীপুরে ১ গাছেই ধরেছে আট জাতের আম

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩
  • ১৭৪ বার পঠিত

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরে কলম পদ্ধতি প্রয়োগ করায় ১ গাছেই আট জাতের আম ধরেছে।

শুক্রবার সকালে মাদারীপুরের মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টারে কলম পদ্ধতি প্রয়োগ করায় মাধ্যমে আট জাতের আম ধরা গাছটিকে দেখা যায়।

মাদারীপুরের মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদেরা একটি আমনগাছে এমন কলম পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন, যাতে গাছটিতে আট জাতের আম ধরেছে। আট রঙের আমগুলো দেখতে যেমন বাহারি, তেমনি সুস্বাদু। গাছটিতে বছরের ১২ মাসই আম ধরবে বলে জানিয়েছেন উদ্যানতত্ত্ববিদেরা।

মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টার সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে ২০২২ সালে একটি উন্নত জাতের আমগাছ রোপণ করা হয়। ছয় মাসের মাথায় গাছটির প্রধান শাখাটি মরে যায়। এরপর গোড়ায় দিক থেকে গাছটিতে নতুন করে ১০টি ডাল গজায়। ডালগুলোতে কলম তৈরির মাধ্যমে ১০টি ভিন্ন জাতের আমগাছের ডাল বসানো হয়। এর মধ্যে আটটি জাতের কলম বেঁচে যায়। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফলন দেওয়া শুরু করে গাছটি।

গাছটিতে মোট আট জাতের আম ধরেছে। এগুলো হলো মিয়াজাকি, পালমার্ক, থাই জাম্বু, কাটিমন, বারি আম-১১, কিউজাই, হিমসাগর ও বানানা। এ গাছ থেকে ১২ মাস আম পাওয়া যাবে। বর্তমানে হর্টিকালচার সেন্টারে এমন আরও চারা গাছ তৈরির কার্যক্রম চলছে।

মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক আশুতোষ কুমার বিশ্বাস বলেন, গাছটি অভিনব কলম পদ্ধতিতে তৈরি। বীজের চারা থেকে কলম করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে। একই গাছে বিভিন্ন জাতের আমের সংমিশ্রণ তৈরি করায় বছরজুড়ে গাছটি থেকে আম পাওয়া যাবে। গাছটি ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, অনেকেই গাছটি নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সারা দেশে এ ধরনের আমগাছের চারা উৎপাদন করতে এখানকার উদ্যানতত্ত্ববিদরা গবেষণা শুরু করেছেন।

মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টারে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গাছটিতে ঝুলছে নানা জাতের আম। লাল, সবুজ ও খয়েরি রঙের এসব আমের আকৃতিও ভিন্ন। গাছটির কয়েকটি ডালে আম এরই মধ্যে পরিপক্ব হয়েছে। আবার কোনো ডালে শুধু আমের মুকুল এসেছে, কোনোটিতে এখনো কাঁচা আম ঝুলছে। আমগাছটি দেখতে অনেকেই হর্টিকালচার সেন্টারে আসছেন।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...