1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন




মনিরামপুরে আপন বোনের বাসায় চুরি করলেন ভাই

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৬৭ বার পঠিত

মনিরামপুর যশোর উপজেলা প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুরে চুরির ঘটনায় ঢাকা গাজীপুর থেকে চোর আটক। মনিরামপুর টু নেহালপুর রাস্তার উত্তর পার্শ্বে নিজস্ব ০৩ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৩য় তলায় ছেলে-মেয়েকে নিয়ে হাবিবুর রহমান এর স্ত্রী কুলসুম খাতুন বসবাস করেন। বিল্ডিংয়ের নিচের দুই তলা ভাড়া দেওয়া। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে বিল্ডিং এর ভাড়াটিয়ারা সকলেই তাদের গ্রামের বাড়ীতে চলে গেলে কুলসুম খাতুন কেশবপুর তার শশুর বাড়ীতে চলে যাই। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ৩০শে জুন একদল চোর চক্র তার বাড়িতে চুরি করে।

যশোরের মুণিরামপুর উপজেলার কামালপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান এর স্ত্রী কুলসুম খাতুন বাদী হয়ে মণিরামপুর থানায় ১ আগষ্ট অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি চুরির মামলা করেন। শুরু হয় পুলিশি তদন্ত। মামলার তদন্ত শুরু করেন মণিরামপুর থানার এস আই মোঃ আবু বক্কর। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দীর্ঘ তদন্ত শেষে চোর শনাক্ত, চুরির মালামাল উদ্দ্বার এবং চুরির ঘটনা উদঘাটন করেন। অজ্ঞাতনামা আসামি থেকে সঠিক চোর খুঁজে বের করে চরম বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন এস আই আবু বক্কর। মণিরামপুর জনসাধারনের কাছে প্রশংসায় ভাসছেন এস আই আবু বক্কর।

চুরির ঘটনা উদঘাটনের বিষয়ে এস আই আবু বক্কর সাংবাদিকদের বলেন, চুরির ঘটনা ঘটার সংবাদ শুনে তাৎক্ষণিক ভাবে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। সবাইকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করি। তখন আমার একজনকে সন্দেহ হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারি সে কুলসুম খাতুনের আপন ভাই তার বাড়ি মনোহরপুর। তখন আমার সন্দেহ একটু বেড়ে যায়, চুরি সংঘটিত হওয়ার পর ৩০ মিনিটের মধ্যে মনোহর পুর থেকে এখানে কিভাবে উপস্থিত হলো?এই ভাই আগে এই বাসাতেই থাকতো এখন থাকে না। আমি এই ভাইকে আলাদা ভাবে নজরদারিতে রাখলাম।আপন ভাইয়ের নাম বি এম শহিদুল ইসলাম। তার আপন বোনের সহিত মনোমালিন্য হওয়ার কারণে পূর্ব শত্রুতা জেরে অপরকে দিয়ে এই চুরির ঘটনা ঘটায়, থানা পুলিশ তাকে খুঁজছে জেনে বাড়ি হতে গা ঢাকা দেয় এবং ঢাকা গাজীপুর অবস্থান করে। এই ভাই মোবাইল নাম্বার বন্ধ করে পালাতক তখন আর বুঝতে বাকি রইলো না ঘটনা কি?খোজখবর নিয়ে জানতে পারলাম মুক্তা নামের এক মেয়ের সাথে তার বিবাহ হয়েছে। মুক্তার মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে জানতে পারি আসামি গাজীপুর আছে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আসামি বিভিন্ন সিমকার্ড ইউজ করতেছে। তখন প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে জানতে পারি বি পার্টি দূর্বডাঙ্গা এক ছেলের সাথে তার পরিচয় আছে । সেই ছেলের মাধ্যমে জানতে পারি সিমকার্ড তার ভাই চালাচ্ছে, তার ভাই ঢাকা গাজীপুর থাকে। কৌশল অবলম্বন করে চাকুরী প্রার্থী হয়ে তার ভাইকে ফোন দেওয়ালাম, সিওর হলাম যে, তার ভাই এক বন্ধুর কাছে থেকে সে আর কেউ নয় সেই বাদীর আপন ভাই বিএম শহিদুল ইসলাম। ১৫ দিন পর এই ছেলে আর একজন চৌকিদার সাথে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। ঢাকা যাত্রাবাড়ি থেকে বিএম শহিদুল ইসলামের বন্ধুকে ধরে শহিদুল ইসলামের পর্যন্ত পৌছালাম। তারপর ঢাকা গাজীপুর থেকে বি এম শহিদুল ইসলাম কে গ্রেফতার করলাম।

বি এম শহিদুল ইসলাম নিজেই চুরির ঘটনার সত্যতা শ্বিকার করে এবং অন্যান্য আসামির নাম উল্লেখ করে বিজ্ঞ আদালতে যবানবন্দী প্রদান করে। তিনি নিজেই পরিকল্পনা করে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন । আপন বোনের বাসায় ৩০০০ টাকার বিনিময়ে চুরির ঘটনা ঘটায়ছে বলে তার জবানবন্দিতে জানান।

এ ঘটনায় সংযুক্ত চোর রমজান বাবু, চোরদের নিকট হতে মালামাল ক্রয় করে বিক্রি কারী বেল্লাল হোসেন ভুট্টো, চোরাই মালামাল ক্রয় বিক্রয়কারী দিলীপ সেন কে গ্রেফতার করে, চোরাই মালামাল উদ্ধার করে চোরের সহযোগী এবং তিনজন চোর দুইজন চোরাই মালামাল ক্রয় বিক্রি কারীসহ মোট ৬ জন আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...