1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গুরুদাসপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধন মাদারগঞ্জে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ পালিত আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সাঁথিয়ায় মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ গাজীপুরে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, ১০টি দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হোমনায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীব উদ্বোধন সোনাগাজীতে কবরস্থানের জন্য জমি দান করে,নজির গড়লেন হিন্দু পরিবার হরিপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ ইসরায়েলের সঙ্গে গুগলের চুক্তি, বিরোধিতা করায় চাকরি গেল ২৮ কর্মীর গাজা: বিমান হামলায় বেঁচে যাওয়া বালকের প্রাণ গেল সাহায্য নিতে গিয়ে




ভারতে ২ হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের আসল কারণ কী?

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শনিবার, ২০ মে, ২০২৩
  • ১২০ বার পঠিত

দেশের সর্বোচ্চ মুদ্রা ২ হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। শুক্রবার (১৯ মে) হঠাৎ করেই এমন ঘোষণা আসে।

মাত্র সাত বছর আগে ২০১৬ সালে সরকারের নির্দেশনায় ২ হাজার রুপির নোট ছাপানো হয়। কিন্তু এই অল্প সময়ের ব্যবধানেই এটি বাজার থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এখনই নোটগুলো অবৈধ হয়ে যাবে না। তবে সাধারণ মানুষকে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেন তারা নোটগুলো ব্যাংকে জমা দেন এবং এর পরিবর্তে অন্য নোট নেন।

২ হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের ঘোষণাটি ভারতবাসীকে আবারও ২০১৬ সালের ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছে। ওই বছর রাতারাতি দেশের চলমান মুদ্রার ৮৬ শতাংশ প্রত্যাহার করে নিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। যা দেশটির মানষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল।

তবে এবার নোট প্রত্যাহার করে নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে— অর্থনীতিতে সেটির বড় কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ এবং বিশ্লেষকরা। কারণ এ নোটগুলো ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হবে।

সরকার ২ হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কেন নিল?

২০১৬ সালে পুরোনো মুদ্রা প্রত্যাহারের কারণে যে শূন্যস্থান সৃষ্টি হয়েছিল সেটি দ্রুত পূরণে ২ হাজার রুপির নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল।

কিন্তু কয়েকদিন পরই ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, তারা এ নোটের প্রচলন কমাতে চায়। এমনকি গত ৪ বছরে নতুন করে ২ হাজার রুপির একটি নোটও ছাপানো হয়নি। ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ‘সাধারণ মানুষও এই বড় নোট খুব বেশি ব্যবহার করতেন না।’

এখন কেন প্রত্যাহার করা হলো?

যদিও সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দিষ্ট করে জানায়নি, কেন এই সময়ে ২ হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতে সামনে সাধারণ নির্বাচন আসছে। আর নির্বাচনের আগে অবৈধ লেনদেন বেড়ে যায়। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই ২ হাজার রুপির নোট প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এল অ্যান্ড টি ফিন্যান্স হোল্ডিংসের প্রধান অর্থনীতিবিদ রুপা রেগে নিতসুরে বলেছেন, ‘সাধারণ নির্বাচনের আগে এ ধরনের সিদ্ধান্ত খুবই বুদ্ধিমানের কাজ। যারা এসব নোট জমা করছিল তারা এখন অসুবিধার মুখে পড়বে।’

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এটি প্রভাব ফেলবে?

ভারতে ২ হাজার রুপির নোটের মূল্যমান হলো ৩ দশমিক ৬২ ট্রিলিয়ন রুপি (৪৪ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার)। বর্তমানে দেশটিতে যত মুদ্রা রয়েছে এই সংখ্যাটি সেটির ১০ দশমিক ৮ শতাংশের সমান।

অর্থনীতিবিদ রুপা রেগে নিতসুরে বলেছেন, ‘এই নোট প্রত্যাহারের কারণে বড় ধরনের কোনো সমস্যা দেখা যাবে না। কারণ বাজারে ছোট সংখ্যার পর্যাপ্ত নোট রয়েছে। এছাড়া গত ৬-৭ বছরে ডিজিটাল লেনদেন এবং ই-কমার্স খাত অনেক বেশি সমৃদ্ধ হয়েছে।’

তবে নগদ-ভিত্তিক খাতগুলো, যেমন কৃষি এবং নির্মাণ খাতে সামনের দিনগুলোতে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন কোয়ান্টইকোর প্রধান অর্থনীতিবিদ ইউভিকা সিংঘাল।

যেসব মানুষ এসব নোট ব্যাংকে গচ্ছিত রাখার বদলে পণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করে থাকেন সেখানে হয়ত কিছুটা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...