1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :




ব্যবসা শেখাতে বশেফমুবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দিল ‘পিঠা উৎসব’

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭২ বার পঠিত

বেলাল হোসাইন বশেফমুবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ  বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক রাশেদুল ইসলাম অভিনব এক উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ‘ব্যবসায় পরিচিতি’ কোর্সের শিক্ষার্থীদের পিঠা উৎসবের আয়োজন ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ দিয়েছেন।

ক্যাম্পাসে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শীতের পিঠা উৎসবের অনন্য আয়োজনে মুগ্ধ সবাই। দিনভর মিষ্টি রোদের অনুভূতিতে পিঠা প্রেমীদের আনাগোনায় মুখর ছিল ক্যাম্পাস। পরীক্ষার (ক্লাস এসাইনমেন্ট) অংশ হিসেবে পিঠা বিক্রি। এতে একেতো মুনাফা অর্জন তার উপরে যোগ হচ্ছে মার্ক। এ দুই মিলিয়ে নতুন অভিজ্ঞতায় আনন্দে আত্মহারা পিঠা বিক্রেতা শিক্ষার্থীরা।

সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় যেন এক অন্যরকম উৎসবে মেতে ওঠে। এ ধরনের উৎসব আর আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালি ঐতিহ্য, চেতনা আর সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি বাঙালির প্রাণে এমনটাই বললেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন মাঠে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৫ম ব্যাচের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে শুরু হয় এ পিঠা উৎসবের।

ছিলো রকমারি নকশা ও বৈচিত্র্যময় পিঠার দোকান। পিঠা উৎসবে বাহারী পিঠা নিয়ে হাজির হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। স্টলে স্টলে দেখা যায় শাড়িতে নারী আর ফরমাল পোশাকে পুরুষ। এমন সাজেই প্রতিটি স্টলে দেখা মেলে একদলকরে অংশীদারী ব্যবসায়ীদের। চলছে বিক্রি। পড়েছে পিঠা খাওয়ার ধুম।

ছয়টি স্টলের এ পিঠা উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘হৃদয় হরন’। যার টানে অনেকেই তার প্রিয়সি নিয়ে ছুটে এসেছে এই উৎসবে। এই পিঠার পাশাপাশি নজর কেরেছে রাগী পিঠাও। স্টলগুলোতে আরো ছিল দুধ চিতই, পাটিসাপটা, ঝাল পিঠা, মালাই পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীরকুলি, তেলপোয়া পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ফুল পিঠা, নকশি পিঠা, নারকেল পিঠা, দুধরাজ পিঠাসহ বাহারি রকমের পিঠা।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল আসার আগেই পিঠা ফুরিয়ে গেলেও ভিড়ের কমতি ছিল না স্টল গুলোতে।

হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার পিঠা উৎসব এই ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনতে ও শিক্ষার্থীদের পেট্রিকেলি ব্যবসা শিখাতেই এমন উদ্যোগ বলে জানান শিক্ষক রাশেদুল ইসলাম।

এ শিক্ষক আরও জানান, শিক্ষার্থীদের শুধু পিঠা উৎসব করতে বললে তেমন গুরুত্ব থাকতো না তাই তাদের এমন অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া। এতে তাদের প্র্যাকটিক্যালি ব্যবসা শেখাও হল পিঠা উৎসবও হল । সব মিলিয়ে আমি এ পর্যন্ত যা দেখলাম তারা বেশ ভালই করেছে। সার্থক বলা যায়।

এ পিঠা উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লিটন, রাফসান, আরাফাত, সুবর্ণা সহ অনেকেই উৎসবের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, স্যারের এমন সুন্দর আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। আমরা তার পাঠ দানে ভিন্নতা পাই। এর আগেও তিনি এমন পাঠ্য বিষয় সম্পর্কিত ভিন্ন আয়োজনে তার ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট গুলো নিয়েছে। যা আামাদের নতুন কিছু করতে অনুপ্রানিত করে এবং পড়ালেখার প্রতি আরো আগ্রহ জন্মায়।

এই অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষার্থীদের দল প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকা। যেকোনো অ্যাসাইনমেন্টেই কিন্তু কিছু টাকা খরচ হয়ে যায়। যেমন কাগজ–কলম কেনা, স্পাইরাল বাইন্ডিং। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের ৮০-৯০ বা ১০০ টাকা খরচ হয়েই যায়। কিন্তু এখানে তাদের খরচ তিন হাজার টাকা হলেও পিঠা বিক্রি শেষ সে খরচ উঠে কিছু মুনাফাও হয়েছে বলে জানান পিঠা বিক্রেতা শিক্ষার্থী মোঃ আশানুর রহমান।

অন্যন্য শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম পিঠা উৎসব। নিজ ক্যাম্পাসের পিঠা উৎসবে আসতে পেরে ভীষণ ভালো লাগাছে। দারুন এক অনুভূতি। অনেকদিন পর পিঠা খেলাম মনে হল এ যেন বাড়ির তৈরী পিঠা।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...