1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় চলন্ত মোটরসাইকেলে আগুন, নিহত-১ দেশসেরা ক্যাডেট ইনসেন্টিভ এওয়ার্ড পেলেন কুবি বিএনসিসির সিইউও সাদী  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া  রমজানে কোনো পণ্যের দাম বাড়বে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদনগরে নব-নির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত গরীবের পাসেই থাকবো: মুর্শিদ বাঘায় আম বাগান ও ফসলি জমিতে পুকুর খননের হিড়িক সক্রিয় আন্তঃজেলা অপরাধী চক্র, অতিষ্ঠ বলেশ্বর নদীর দুপারের মানুষ উজিরপুরে ডিবির হাতে ২ কেজি গাজা সহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার বাহার ও রয়েল ডায়াগণষ্টিক সেন্টারকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা




বাজিতপুরে শতবর্ষী ‘বান্নি মেলা’ হারাচ্ছে তার আমেজ

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৪ বার পঠিত

বাজিতপুর (কিশোেরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়নের উজানচর নামক স্থানে তিনব্যাপী চলছে ঐতিহাসিক বান্নি মেলা। কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কের দু’ধারেই মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন দোকানপাট সাজিয়ে বসছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় শিশু কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সী মানুষজনই বন্ধু বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে মেলায় আসছে দলবেঁধে। প্রতিবছর অগ্রহায়ন মাসের শেষে তিনদিনব্যপী এ মেলার আয়োজন করা হয়।

তিনদিনই সারারাত ব্যাপী চলে গানবাজনা, যাত্রাপালাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলাতে শতাধিক দোকানের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। মেলায় গরু, হাতি, ঘোড়া, উট, বক, পুতুল ইত্যাদি মাটির তৈরি খেলনা ছাড়াও গৃহাস্থলির সামগ্রীরও অনেক জিনিস ওঠেছে। বাজারে বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়াতে মেলায় অনেকে এসেছেন কম দামে কেনার জন্য। বিশেষ করে সূলভ মূল্যে কাপড় কিনতে ভীড় করছে স্থানীয় নারীরা।

তবে এ মেলার সঠিক ইতিহাস কেউ বলতে পারছে না। ৬৫ বছর বয়সী হাবিব নামে এক বৃদ্ধের কাছে মেলাটি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন ছোট থেকেই মেলাটি বসতে দেখছেন। জনশ্রুতি রয়েছে এখানে একসময় হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিলো। তাদের পূন্যস্থানকে কেন্দ্র করেই এ মেলার উৎপত্তি। তবে বর্তমানে হিন্দু কোনো সম্প্রদায়কে এ মেলার নেতৃত্বে দেখা যায়নি।

কেউ বলছেন এ মেলাটি শতবর্ষী আবার কেউ বলছেন দুইশ বছর ধরে চলছে এ মেলাটি। তবে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি কেউই। প্রায় বিশজনের মতো বয়স্ক মানুষের কাছে মেলাটির ইতিহাস জানতে চাইলে তারা কেউ সঠিক ইতিহাস জানে না বলে মন্তব্য করেন। সবারই একটি মন্তব্য ছোট থেকেই তারা এ মেলাটি বসতে দেখছেন।

একসময় এ মেলাটিকে ঘিরে আশপাশ এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করলেও দিনদিন উৎসবের আমেজ হারিয়ে যাচ্ছে এ মেলাটির। স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, করোনার পর থেকে এ মেলাটি হারিয়েছে তার স্বকীয়তা। এখন আর আগেরমতো জমছে না। এ মেলাটি মূলত কটিয়াদী ও বাজিতপুর উপজেলার সীমানা ঘেষে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জেলার অন্যান্য মেলার চেয়ে এটি অনেকটাই গুরুত্ববহ মানুষজনের কাছে।

উজানচরের বান্নি মেলা শুরু হওয়ার মাধ্যমেই জেলার অন্যান্য মেলাগুলো শুরু হওয়ার মৌসুম চালু হয় । মেলাটির পাশেই রয়েছে বউ বাজার। গজারিয়া গ্রামের মানুষজন বছরের এ মেলাটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। তারা জামাই ও স্বজনদের দাওয়াত দিয়ে থাকে এ মেলা উপলক্ষে।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...