1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে : নসরুল হামিদ মানুষের হাতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি টাকা রয়েছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ৫ বছরে সরকারি চাকরি পেয়েছেন কতজন, জানালেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী নির্দেশনা না মানলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘বিএনপির আটক কর্মীদের মুক্তির সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক নেই’ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সরকারের একটি অমানবিক খেলা: রিজভী একা একা লাগে মাহিয়া মাহির রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখবে সরকার: কাদের চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য টগরকে নাগরিক সংবর্ধনা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৩৩টি গাঁজাগাছ সহ নারী গ্রেপ্তার




পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্সে মিললো ২৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৬ বার পঠিত

সাইফুল্লাহ সাইফ : কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে ৩ মাস ২০ দিন পর এবার ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন গণনা চলছে।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলা হয়েছে। দৈনিক নাগরিক ভাবনাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, প্রতি তিন মাস পরপর পাগলা মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলা হতো। তবে, দানের টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার আরও একটি দানবাক্স বাড়ানো হয়েছে। এখন পাগলা মসজিদে দানবাক্সের সংখ্যা ৯টি। এবার তিন মাস ২০ দিন পর দানবাক্স গুলো
খোলা হলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। এখন গণনা চলছে।

মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্র জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের নয়টি দান দানবাক্স খোলা হয়েছে। এতে ২৩ বস্তায় ভরে টাকাগুলো মসজিদের দোতলায় নেওয়া হয়েছে গণনার জন্য। এখন (এই প্রতিবেদন লেখা পর্যস্ত) চলছে টাকা গণনার কাজ।

এই কাজে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ টি এম ফরহাদ চৌধুরী, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর শেখ জাবের আহমেদ, সহকারী কমিশনার রওশন কবীর, মাহমুদুল হাসান, সামিউল ইসলাম, আজিজা বেগম, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, সিবিএ নেতা মো. আনোয়ার পারভেজসহ মাদ্রাসার ১১২ ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ সদস্য অংশ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত ১৯ আগস্ট মসজিদের ৮টি দানবাক্সে পাওয়া যায় ২৩ বস্তা টাকা। দিনব্যাপী গণনা শেষে টাকার পরিমাণ ছিল
৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা। আর সেটি ছিল মসজিদের ইতিহাসে দানবাক্স থেকে পাওয়া সর্বোচ্চ টাকার পরিমাণ। এছাড়া, একটি ডায়মন্ডের নাক ফুলসহ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কারও পাওয়া যায় দানবাক্সে।

পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্র জানায়, মসজিদের দান থেকে প্রাপ্ত এসব টাকা সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন
মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়। পাশাপাশি করোনাকালে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮০ স্বেচ্ছাসেবককেও অনুদান দেওয়া হয়েছিল এই দানের টাকা থেকে।

সূত্র আরও জানায়, মসজিদটিকে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। যার নামকরণ হবে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এটি নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। সেখানে ৩০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...