1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :




দুর্গাপুরে তরমুজের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৬৫ বার পঠিত

কেএস বাবু দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। রোগ ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় ফলন ভালো হয়েছে জানান চাষীরা। এ বছর তরমুজ চাষ করে সাড়া ফেলেছেন দুর্গাপুরের কৃষকরা। আগামীতে আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদের পরিকল্পনা করছেন তারা কিন্তু বাজারে তরমুজের চড়া মূল্য থাকলেও তা থেকে বঞ্চিত হন কৃষকরা। কৃষকরা ন্যয্য মূল্য না পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন মধ্যস্বত্ব ভোগীরা।

বাজারে গিয়ে দেখা যায় মাঝারি আকারের একটি তরমুজের মূল্য ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কিন্তু কৃষক পায় মাত্র ৮০ থেকে ১০০ টাকা। ফলে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তরমুজ চাষীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,অত্র উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের কাঁকড়াকান্দা গ্রামের অনাবাদি জমিকে আবাদ করে কৃষি জমি সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো বেশি পরিমাণে তরমুজ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বছর ১২ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়,চাষিরা ব্যস্ত ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলতে। প্রতিদিন তরমুজ ক্ষেত থেকে উৎপাদিত তরমুজ পাইকারি ক্রেতারা এসে নিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, রমজানে তরমুজের বাড়তি চাহিদা থাকলেও অন্যান্য অঞ্চল থেকে দুর্গাপুরের হাট-বাজারে প্রচুর তরমুজ আসায় বিপাকে স্থানীয় চাষীরা। চাহিদার পুরোটা যোগান যদি স্থানীয় তরমুজ থেকে দেওয়া যেত তাহলে লাভবান হত স্থানীয় কৃষকরা।

কাকড়াকান্দা গ্রামের তরমুজ চাষি নুরুল হক বলেন, এ বছর তরমুজ ভালোই হইছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় আমরা জমি থেকে ভালোই ফসল পাইছি। পাইকাররা আমাদের সঠিক মূল্য দেয় না, কিন্তু তারা বাজারে অনেক বেশি দামে বিক্রি করে। আজকে ছোট বড় মাঝারি তরমুজ প্রতি পিস মাত্র ৮০ টাকা করে দাম দিছে। স্থানীয় বাজারে এগুলো তারা ৩/৪ শ টাকা করে বিক্রি করে।

কবির হোসেন বলেন,কৃষি অফিসের অনুপ্রেরণায় এই প্রথম পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। এ তরমুজ চাষে সফলতায় আগামী মৌসুমে আরো ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান বলেন,তরমুজ চাষে লাভ বেশি। এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। চলতি মৌসুমে তরমুজ চাষের সফলতা দেখে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। আমরা আশাবাদী আগামী মৌসুমে ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হবে।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...