1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গুরুদাসপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধন মাদারগঞ্জে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ পালিত আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সাঁথিয়ায় মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ গাজীপুরে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, ১০টি দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হোমনায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীব উদ্বোধন সোনাগাজীতে কবরস্থানের জন্য জমি দান করে,নজির গড়লেন হিন্দু পরিবার হরিপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ ইসরায়েলের সঙ্গে গুগলের চুক্তি, বিরোধিতা করায় চাকরি গেল ২৮ কর্মীর গাজা: বিমান হামলায় বেঁচে যাওয়া বালকের প্রাণ গেল সাহায্য নিতে গিয়ে




দুর্গাপুরে গবাদিপশুর এল এস ডি ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কে গৃহস্থ-খামারিরা

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩২৩ বার পঠিত

কেএস বাবু দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে গবাদি পশুর ভাইরাস জনিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় সব গ্রামের গবাদিপশু এ রোগে আক্রান্ত হওয়ায় গরু পালনকারী খামারি-গৃহস্থসহ সবার মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ রোগের প্রতিকার পেতে খামারীরা ছুটছেন পল্লীচিকিৎসক ও প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি গরু মারা যাওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। তবে এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতার পরামর্শ দিচ্ছেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৯ সালে প্রথম বাংলাদেশে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) রোগটি নিশ্চিত হয়। এটি মূলত এক প্রকার ভাইরাস জনিত রোগ। এটি এক গরু থেকে আরেক গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। আরও জানায়,গত এক মাসে ৯০টির বেশি গরু ল্যাম্পিং স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিনিয়তই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে মহামারি আকার ধারণ করেছে। বড় গরুর তুলনায় বাছুর আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

এ নিয়ে (০৫ এপ্রিল) বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) রোগে আক্রান্ত ৩টি গরুকে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে। গরু পালনকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,তাদের গরুর গায়ে প্রথমে ফোসকা দেখা দিচ্ছে। পরে তা সারা গায়ে ছড়িয়ে পড়ছে এবং ঘা বা ক্ষত দেখা দিচ্ছে। এ রোগ হলে গরু খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে এতে গরু দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। ঔষধে এই রোগ থেকে দ্রুত সেরে উঠছে না আক্রান্ত পশু। গরুর এ রোগ উপজেলার প্রায় সব গ্রামেই ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসার অভাবে অনেকের গরু-ছাগল মারাও গেছে। আক্রান্ত এসব গবাদিপশু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন বলেও জানান ভূক্তভোগীরা।

সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের রমজান আলী বলেন,তাঁর ৮টি গরু আছে তার মধ্যে একটি বাছুর আক্রান্ত হয়েছে। প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে আসলে শুধু ব্যবস্থাপত্র লিখে দিচ্ছেন বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। অপরদিকে মেলাডহর গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি আবিদ হাসান বলেন, তার একটি গাভী এ রোগে আক্রান্ত হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর গাভীটি মারা গেছে। বর্তমানে তার ক্ষুদ্র খামারে ৯টি গরু রয়েছে, গরুগুলো নিয়ে তিনি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। বড়ইউন্দ গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন,তার পাঁচ মাসের বাছুর গত ৮-৯ দিন আগে এ রোগে আক্রান্ত হয়। তিনি প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে এসে চিকিৎসা করাচ্ছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ শিলা রাণী দাস বলেন,এই রোগে গরুর চামড়ার উপরিভাগে সারা শরীরে গোটার সৃষ্টি হয়। মশা ও মাছির কামড়ে এক পশু থেকে আরেক পশুতে ছড়ায়। এর চিকিৎসায় এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো ভ্যাকসিন আসেনি। এই রোগ প্রতিরোধে আমরা গোট পক্স ভ্যাকসিন দিই। প্রতিদিনই দুই-তিনটা আক্রান্ত পশু নিয়ে ভুক্তভোগী কৃষকেরা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে আসছেন। আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি। পাশাপাশি আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...