1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে : নসরুল হামিদ মানুষের হাতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি টাকা রয়েছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ৫ বছরে সরকারি চাকরি পেয়েছেন কতজন, জানালেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী নির্দেশনা না মানলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘বিএনপির আটক কর্মীদের মুক্তির সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক নেই’ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সরকারের একটি অমানবিক খেলা: রিজভী একা একা লাগে মাহিয়া মাহির রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখবে সরকার: কাদের চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য টগরকে নাগরিক সংবর্ধনা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৩৩টি গাঁজাগাছ সহ নারী গ্রেপ্তার




জান্তা শাসন অবসানের আগ পর্যন্ত যুদ্ধের ঘোষণা বিদ্রোহী জোটের

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪৩ বার পঠিত

মিয়ানমারে বর্তমানে ক্ষমতাসীন সামরিক স্বৈরতন্ত্রের অবসানের আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ নামের একটি সশস্ত্র বিদ্রোহী জোট। বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এই ঘোষণা দিয়েছে জোটটি।

এক্সবার্তায় থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘এটা সত্য যে আমদের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু আমদের পূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং সেটি আরও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।’

‘আমরা পুরো মিয়ানমারের জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সামরিক স্বৈরতন্ত্রের অবসানের আগ পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।’

২০২০ সালের জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। দেশটির গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার ও বন্দি করা হয়। সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং এ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন।

অভ্যুত্থানের পরপরই সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী জনগণ। প্রথমদিকে সেই বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ উপায়ে দমন করলেও এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দেয় ক্ষমতাসীন সামরিক সরকার।

২০২২ সালের শুরু থেকে গণতন্ত্রপন্থী জনগণের একটি অংশ জান্তাবিরোধী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়া শুরু করে এবং ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৫৭৬ বর্গকিলোটার আয়তনের এই দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে জান্তার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয় এসব বিদ্রোহী গোষ্ঠীর।

সেই যুদ্ধে সম্প্রতি সাফল্য পাচ্ছে বিদ্রোহীরা। মিয়ানমারের বেশ কিছু শহর, গ্রাম এমনকি সীমান্ত এলাকাও বর্তমানে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দখলে রয়েছে।

জান্তাবিরোধী এসব বিদ্রোহীদের দমন করতে সম্প্রতি চীনের সঙ্গে যৌথ টাস্কফোর্স গঠনে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সামরিক সরকার, তার মধ্যেই বুধবার এই এক্সবার্তা দিলো থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স।

সূত্র : রয়টার্স



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...