1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গুরুদাসপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধন মাদারগঞ্জে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ পালিত আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সাঁথিয়ায় মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ গাজীপুরে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, ১০টি দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হোমনায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীব উদ্বোধন সোনাগাজীতে কবরস্থানের জন্য জমি দান করে,নজির গড়লেন হিন্দু পরিবার হরিপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ ইসরায়েলের সঙ্গে গুগলের চুক্তি, বিরোধিতা করায় চাকরি গেল ২৮ কর্মীর গাজা: বিমান হামলায় বেঁচে যাওয়া বালকের প্রাণ গেল সাহায্য নিতে গিয়ে




জবি শিক্ষার্থীদের হাত ধরে এলো যাত্রা স্টুডিও

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শুক্রবার, ১২ মে, ২০২৩
  • ১১৭ বার পঠিত
অমৃত রায়, জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের  চারুকলা অনুষদের ভাষ্কর্য বিভাগের ১৪ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. অরুপ রতন ও মো. সোহান রহমানের হাত ধরে যাত্রা শুরু করলো “যাত্রা স্টুডিও ” নামের  অ্যানিমেশন স্টুডিও।
ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে তাদের তৈরী প্রথম অ্যানিমেশন মিউজিক ভিডিও “একটা দীর্ঘ রজনী”। তাদের সাথে অ্যানিমেটর হিসেবে কাজ করছেন উৎসব কুন্ড।
তাদের এই পথচলার গল্প বলতে গিয়ে তারা জানায়,”পরিবার হোক অথবা সমাজ অনুযায়ী আমরা হয়তো কোনোভাবে প্রভাবিত হয়ে তাদের দেখানো পথে হেটে যাচ্ছিলাম কিন্তু মনে মনে কলেজ থেকে চারুকলায় পড়ার স্বপ্ন দেখতাম। এই সময় কলেজের মার্কেটিং বিষয়ের মমিনুল স্যার আমাদের বরাবর উৎসাহ দিয়ে যেত আমাদের ইচ্ছার।
সৌভাগ্যক্রমে একি সাথে একই বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে(যা এখন অনুষদ) ভর্তি হয়ে যাওয়া অতঃপর নিজদের একটা এনিমেশন স্টুডিও দেয়ার পাঁয়তারা শুরু করি। তখনও নাম ভাবা হয়নি একদিন ইদের ছুটিতে সেই কলেজের স্যার আমাদের ডেকে বললেন আমাদের একটা মিউজিক ভিডিও বানাতে হবে।
আমরা তখনও সাহস পাচ্ছিলাম না কাজ টা নেয়ার। আলাপের এক পর্যায়ে আমরা স্টোরি বোর্ডিং শুধু করি তারপর আমাদের আরেকজন এনিমেটরের কথা মাথায় আসে সেও ছোটবেলার বুন্ধ উৎসব তার সাথে বিষয় টা শেয়ার করি এবং এই সব মিলিয়ে গান যখন প্রস্তুত তখন আমরা ৩ জন মিলে যাত্রা স্টুডিওর উদ্ভাবন করি। নানারকমের বাধা এসেছিল।
এ পর্যায়ে নামরকমের জটিলতায় পরলাম। আমাদের স্টুডিওর নামকরনের অভিজ্ঞতা আমাদের পরিবারের আমাদের যে নামকরনের অভিজ্ঞতা তার স্বাদ দিল মনে হচ্ছিল। এমনটা হওয়ার কথা ছিল শিল্পীর সৃষ্টি্তো তার সন্তানের মতই। আমাদের স্টুডিওর নাম নির্বাচন করা হল যাত্রা স্টুডিও যেখানে থেকে আমাদের এনিমেশনের যাত্রা শুরু।
এক্ষেত্রে আমাদের মাথায় এসেছিল বাংলার প্রাচীন ওইতিহ্য যাত্রা। যেহেতু এখন আমদের বাঙ্গালির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য বিলুপ্ত প্রায় তা নতুন করে ডিজিটাল জগতে তুলে এনে বাচিয়ে রাখার পরিকল্পনাও রাখলাম। নতুন নতুন বাধা যা আগে কখনো কল্পনা করি নি। মাঝে কাজ প্রায় বন্ধ হয়েছিল বেশ কয়েকমাস।
মজার বেপার হল আমরা বাসায় থেকে সব কাজ সম্পাদন করেছি অনলাইন প্লাটফর্মের মাধম্যে। অনেক বার প্লান পরিবর্তন করতে হয়েছে কাজ শেষের আগ মুহূর্তেও সংকটময় সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল যা আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। অবশেষে আমাদের কাজ সফল ভাবে গ্রহণ করে এবং এর মধ্যমে যাত্রার পথচলা শুরু হল ভবিষ্যতে আমাদের টিম আরো বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা রয়েছে । যাত্রা স্টুডিও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। সকলের উৎসাহ ও সহযোগিতা পেলে আমরা বাংলাদেশের এনিমেশন ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্বমানের এনিমেশন উপহার দিতে পারার আকাঙ্ক্ষা রাখে যাত্রা স্টুডিও। “



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...