1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. hmgkrnoor@gmail.com : Golam Kibriya : Golam Kibriya
  5. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  6. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  7. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন




চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে উর্দ্ধশ্বাসে ছুটে চলেছে দ্রব্যমুল্যের ঘোড়া

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪৬ বার পঠিত

জেমস আব্দুর রহিম রানা: শীতাকালীন চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে যশোরের ব্যবসায়ীরা খামারের মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। দাম বাড়ানো হয়েছে সদ্য নতুন ওঠা মুড়িকাটা পেঁয়াজেরও। সম্প্রতি ২৪ ঘন্টার বৃষ্টির অজুহাতে বিক্রেতারা সবজির দাম বাড়িয়ে আর কমাননি। ভরা মৌসুমে হাটবাজারে আমন ধানের সরবরাহ বাড়ার পরও চালের দাম আর কমবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিক্রেতারা।

শীতকালে বিয়েসহ সামাজিক নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন বেড়ে গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগে খামারিরা মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। যশোরের বড়বাজারের খুচরা মুরগি বিক্রেতা তানবীর ব্রয়লার হাউসের স্বত্বাধিকারী ইমরান হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান, খামারিরা মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। মাত্র দু সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মুরগিতে ৩০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তিনি গতকাল শুক্রবার লেয়ার মুরগির কেজি ৩২০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন।

বাজারে দেশি ভাতি পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে নতুন ওঠা মুড়িকাটা পেঁয়াজেরও দাম বেড়ে গেছে। শুক্রবার বড় বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা দরে। আর দেশি মূল পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকায়।
সম্প্রতি একদিনের টানা বৃষ্টির অজুহাতে সবজির দাম বাড়ানোর পরে আর দাম কমাননি বিক্রেতারা। বরং কোনো কোনো সবজিতে আরও দাম বেড়েছে। শুক্রবার বড় বাজারে দেখা যায়, কেজিতে আরও ১০ টাকা বেড়ে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, শসাতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, শিমে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। তাছাড়া অন্যান্য সবজিও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে, যেমন উচ্ছে ৮০/১০০ টাকা, গাজর ৫০/৬০ টাকা, পেঁয়াজের কালি ৪০/৫০ টাকা, পটল ৩০/৪০ টাকা, বেগুন ৭০/৮০ টাকা, মুলো ৩৫ টাকা ও লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা।

এদিকে, ভরা মৌসুমেও হাটে বাড়তি দামে ধান বিক্রি হচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় ব্যবসায়ী ও মুজদদাররা প্রচুর ধান কিনছে বিভিন্ন হাটবাজার থেকে। বড় বাজারের খুচরা চাল বিক্রেতা সুশীল কুমার বিশ্বাস জানান, বাজারে চালের দাম কমার আর সম্ভাবনা নেই। তিনি শুক্রবার মোটা নূরজাহান চাল বিক্রি করেছেন প্রতি কেজি ৪৮ টাকা, ২৮ ধানের চাল ৫০ টাকা, কাজললতা নতুন ৪৮ ও পুরনো ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৫৬ টাকা, ৬৩ ধানের চাল ৬২ টাকা ও বাংলামতি চাল ৬৬/৬৮ টাকায় বিক্রি করেছেন।

সরবরাহ আশানুরুপ না থাকায় এবার যশোরবাসী স্বাভাবিক দামে ইলিশ মাছ কিনতে পারেনি। বাজারে এখনও ইলিশের সরবরাহ কম। গতকাল শুক্রবার বড় বাজার মাছবাজারের খুচরা বিক্রেতা এরশাদ আলী এক কেজি ৮০০/৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি করেছেন ২২০০ টাকায়, কেজিতে ২পিস ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৫০০ টাকা, ৩ পিস ইলিশের কেজি বিক্রি হয়েছে ৯০০টাকায়। বিক্রেতা এরশাদ আলী জানান, শীতকালে ইলিশের চাহিদা কম থাকলেও প্রতিদিন যশোরের বড় বাজার মাছবাজারে কমবেশি আমদানি হচ্ছে।

এদিন বাজারে এক কেজি রুই মাছ বিক্রি হয়েছে ২৬০ টাকা, এক কেজি কাতল ২২০ টাকা, সাড়ে ৩ কেজি গ্রাসকার্প ৩২০ টাকা, সাড়ে ৩ কেজি সিলভারকার্প ২৬০ টাকা ও দেড় কেজি ভেটকি মাছ বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকায়।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...