1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :




খুলনায় বিএনপি ও জামাতের মশাল মিছিল!

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৫ বার পঠিত

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: প্রহসন মূলক অবৈধ তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে ১৯ ও ২০ নভেম্বর ৪৮ ঘন্টা হরতাল পালনের লক্ষ্যে খুলনায় বিএনপি ও জামাতের মশাল মিছিল।

অসংবিধানিক ভাবে দেশের জনমতবিহীন এবং বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের জেলে বন্ধি রেখে বর্তমান নির্বাচন কমিশনারের প্রধানকে কুক্ষিগত করে সর্বমহলের প্রশাসনকে হাতে রেখে জন বিচ্ছিন্ন অবৈধ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং অসুস্থ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা ও দেশের সকল নেতা কর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্তে মুক্তির দাবিতে আগামী ১৯ ও ২০ নভেম্বর রবি, সোম দেশব্যাপী সর্বাত্মক টানা ৪৮ ঘন্টার হরতাল ডেকেছে দেশের অন্যতম বিরোধীদল বিএনপি।

সাথে আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ জামাত ইসলামসহ ১২ দলীয় ঐক্যজোট।

এ লক্ষে নগরীতে প্রধান প্রধান এলাকায় খন্ড খন্ড ঝটিকা মিছিল ও সন্ধ্যায় মশাল মিছিল করেছে যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল সহ জামাত ইসলাম এর ছাত্র সংগঠন।

বিএনপি জামাত সহ ১২ দলীয় ঐক্য জোটের হরতাল কর্মসূচির দিক নির্দেশনার সার্বিক বিষয়ের তথ্য জানার জন্য খুলনা নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি’র দলীয় কার্যালয় গিয়ে কোনো নেতা কর্মীদের না পাওয়া গেলেও খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট শফিকুল আলম মনার মুঠোফোনে যোগাযোগ করে আগামী ১৯ ও ২০ নভেম্বরের ৪৮ ঘন্টার হরতাল কর্মসূচির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন এবারের কর্মসূচি সরকার বিরোধী আন্দোলন নয়। এবারের কর্মসূচি জনবিচ্ছিন্ন একতরফা অবৈধ প্রহসন মূলক নির্বাচন ঠেকানোর লক্ষে এ কর্মসূচি।

এসময় মুঠো ফোনে তিনি আরো বলেন বর্তমান নির্বাচন কমিশনারের প্রধান কাজী হাবিবুল আউয়াল সরকারের আজ্ঞাবহ একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর সরকারের আজ্ঞাবহতা স্বীকার করে তরিঘরি করে তফশিল ঘোষণার দিন গোটা আগারগাঁও এলাকা প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার চাদরে নিজেকে ঢেকে অত্র এলাকা দিয়ে জন চলাচলের বিঘ্ন ঘটিয়ে এবং ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ করে দিয়ে শেখ হাসিনার আজ্ঞা পরিকল্পনা মাহফিক নিজেদের ইচ্ছা স্বাধীন প্রক্রিয়ায় দেশের প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্ব সেক্টরের নিজস্ব বাহিনীদের দ্বারা মাঠ সাজিয়ে রেখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে শেখ হাসিনার এজেন্ডা সিইসির আজ্ঞাবহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পরে শেখ হাসিনার শেখানো মিথ্যা সাধু ও মনোরঞ্জন ভাষা সাজিয়ে জাতির উদ্দেশ্য ভাষণ প্রদান করে কাজী হাবিবুল আউয়াল। ইতোমধ্য দেশবাসী দেখেছে এই কাজী হাবিবুল আউয়াল এর অধীনে কতটা সুষ্ঠ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া সম্ভব। বিগত দিনের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচন গুলোতে ভোটার উপস্থিতি জিরো শতাংশ থাকা সত্ত্বেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে বলে সরকারের ফায়দা লুটার সুযোগ করে দিয়েছে। আর তারই ধারাবাহিকতার নীল নকশার কৌশলে গোটা জাতিকে বোকা বানিয়ে দেশের উল্লেখযোগ্য বিরোধীদলের অংশগ্রহণ বিহীন কাকতালীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট চুরি করে পিছন দরজা দিয়ে আবারো ক্ষমতা আসার পায়তারায় মেতে দেশের অর্থ-সম্পদ দুর্নীতি করে খেতে যতটুকু বাকি সেটুকুও ধ্বংস করার লক্ষ্যের রুগ্ন জনগণের বুকের পাঁজরের উপর থেকে ক্ষমতার মসনদে বসতে চাইছে অবৈধ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। তবে এবারের সর্বশেষ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের অবৈধ পাতানো নির্বাচনী খেলা প্রতিহত করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা সাথে কাফনের কাপড় নিয়ে রাজপথ দখল করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে করে সিইসির প্রধান সরকারের গোলাম কাজী হাবিবুল আউয়াল এর অধিনে অনুষ্ঠিত হতে না পারে সে লক্ষ্যে এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে রাষ্ট্রীয় সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে এই প্রত্যাশা রেখে বিএনপি’এবারের কঠোর আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে নেমেছে।

এ সময় তিনি আরো বলেন শেখ হাসিনার যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে তার পুলিশ বাহিনীদের ১ ঘন্টার জন্য নিরব থাকা সহ দেশজুড়ে বিএনপি’র সকল নেতাকর্মীদের মুক্ত করে দিয়ে খেলায় নামুক তাহলে ওবায়দুল কাদেরের কটাক্ষ ব্যাঙ্গতা ও কুরুচিপূর্ণ কথার কঠোর জবাব দিতে বিএনপি প্রস্তুত।
তাছাড়া শেখ হাসিনা বর্তমানে এতটাই ভিতস্ত যার কারনে বিরোধীদলের কোনো কেন্দ্রীয় নেতাদের সহ দেশের জেলা থানা উপজেলা পর্যায়ের কর্মীদের মুক্ত অবস্থানে থেকে সরকারের সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে দিচ্ছে না। তবে এবার তাদের সকল পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে কারণ দেশের জনগণ স্পষ্ট বুঝতে পেরেছে তারা যা কিছু করছে সবকিছুই খামখেয়ালি ভাবে করছে। আর হরতাল অবরোধ সকল দেশের বিরোধী দলের আন্দোলনের একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই গণতান্ত্রিক অধিকারকেও তারা তাদের প্রশাসনের গুন্ডা বাহিনী কতৃক খড়বো করছে। তবে এবার দলীয় সকল নেতাকর্মীদের রক্তের বিনিময় হলেও হরতাল অবরোধ এবং সর্বোচ্চ কঠোর আন্দোলনকে সফল করার পাশাপাশি স্বৈরাচার হাসিনা ও অবৈধ নির্বাচন কমিশনারকে উৎখাত করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমে বিএনপি বিজয় অর্জন করে পরিচ্ছন্ন পথে ক্ষমতা গ্রহণ করবে ইনশাল্লাহ ।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...