1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :




কোচিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরাই কারিকুলামের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২৭ বার পঠিত

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন কারিকুলামের বিরুদ্ধে অনলাইনে কিছু লোক বেশ সোচ্চার। তারা আন্দোলন করছে। আন্দোলনকারীদের মধ্যে কিছু অভিভাবক রয়েছেন। মূলত তারা কোচিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি আরও কয়েকজন আছেন যারা নোট-গাইডের বিক্রেতা। তারা স্কুল-কলেজে নোট-গাইড দিয়ে কমিশন নেন।

রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে কারিকুলামের বিরুদ্ধে এ আন্দোলনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো উস্কনি দিচ্ছে। তারা মিথ্যাচারের পাশাপাশি ভয়ানকভাবে ধর্মীয় উসকানি ও অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নতুন কারিকুলাম এবং বই নিয়ে কারো কোনো পরামর্শ বা আপত্তি থাকলে সেটি বিবেচনায় নিয়ে সংশোধন করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, যেকোনো পরিবর্তন মেনে নিতে মানুষের কিছুটা সময় লাগে। নতুন কারিকুলামের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে মানুষের কিছুটা সময় লাগবে। নতুন যে কারিকুলাম তা শুধুমাত্র পরিবর্তন বা সংস্কার নয়, এটি যে শুধু আমাদের দেশে হচ্ছে তা নয়। সারা বিশ্বে শিক্ষায় রুপান্তর বা পরিবর্তন নিয়ে আসা হচ্ছে। আমরা যখন পরীক্ষার হল থেকে বের হতাম তখন আমাদের প্রথমে প্রশ্ন করা হত যে, প্রশ্ন কমন পড়েছে কি না। এর মানে দাঁড়ায় আমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু প্রশ্ন মুখস্ত করতাম এবং সেগুলো পরীক্ষার হলে লিখতাম।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যে ভালো সাজেশন দিতে পারতেন বা যার প্রশ্ন বেশি কমন পেতাম তাকে ভালো শিক্ষক বলা হত। মূখস্তনির্ভর এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র কে কত মুখস্ত করতে পেরেছে সেটি যাচাই হতো। কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার যাচাই সম্ভব ছিল না।

দীপু মনি বলেন, বর্তমান সময় প্রযুক্তির যুগ। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রযুক্তির পরিবর্তন হচ্ছে। এ পরিবর্তনের সঙ্গে যদি আমাদের প্রজন্ম খাপ খাওয়াতে না পারলে তারা পিছিয়ে পড়বে। বর্তমান অবস্থায় তারা যদি কর্মক্ষম ও সক্ষম হতে চায় তাহলে তাদের প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুনভাবে শিখতে হবে। এক্ষেত্রে তাদের মুখস্ত বিদ্যা কাজে লাগবে না।

মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্মকে কিছু দক্ষতা আবশ্যিকভাবে অর্জন করতে হবে। তাদের সফট স্কিল, যোগাযোগের সক্ষমতা এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এখন সময় টিম ওয়ার্কের। এটি শৈশব থেকে পড়াশোনার মাধ্যেমে শিখতে হবে। বর্তমান কারিকুলামে সেই শিক্ষার পাশাপাশি মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের সাবলম্বী হওয়ার শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

 



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...