1. news.rifan@gmail.com : admin :
  2. smborhan.elite@gmail.com : Borhan Uddin : Borhan Uddin
  3. arroy2103777@gmail.com : Amrito Roy : Amrito Roy
  4. mdmohaiminul77@gmail.com : Md Mohaiminul : Md Mohaiminul
  5. ripon11vai@gmail.com : Ripon : Ripon
  6. holysiamsrabon@gmail.com : Siam Srabon : Siam Srabon
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :




উলিপুরে ইজিপিপি প্লাস প্রকল্পে বকেয়া টাকার দাবীতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

  • সর্বশেষ পরিমার্জন: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৬ বার পঠিত

মোহাইমিনুল ইসলামঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে ইজিপিপি প্লাস প্রকল্পের বকেয়া টাকার দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করেন।

সুত্র জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি প্লাস) প্রকল্পে ৫ হাজার ৭১ জন শ্রমিক বাছাই করা হয়। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। ইউপি চেয়ারম্যানদের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যগণ প্রকল্পের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

জানা গেছে, দৈনিক ৪০০ টাকা মজুরিতে এ প্রকল্পের মাধ্যমে দুই দফায় ১শ ১০ দিন কাজ করার কথা থাকলেও শ্রমিকদের করানো হয় ৭৭ দিন। কোনো ইউনিয়নে এর কম বেশিও হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু শ্রমিকরা মজুরি পান মাত্র ৪৬ দিনের ১৮ হাজার ৪০০ টাকা। ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও বাকি টাকা পাননি হত দরিদ্র খেটে খাওয়া শ্রমিকগণ।

ওই প্রকল্পের আওতায় সাহেবের আলগা ইউনিয়নে ৭শ ৪০ জন শ্রমিক ৭৭ দিন কাজ করলেও মজুরি পান ৪৬ দিনের। প্রত্যেক শ্রমিকের ১২ হাজার ৪শ টাকা করে এখনও বকেয়া রয়েছে।

হাতিয়া ইউনিয়নে ৩শ ৯০ জন শ্রমিক ৭২ দিন কাজ করলেও ৪৬ দিনের ১৮ হাজার ৪শ টাকা মজুরি পান তারা। ফলে ৩৯০ জন শ্রমিকের ৪০ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা বকেয়া থেকে যায়।

বজরা ইউনিয়নে ৪শ ৩৬ জন শ্রমিক ৭৬ দিন কাজ করলেও মজুরি পান মাত্র ৪৬ দিনের। প্রত্যেক শ্রমিককে ১৮ হাজার ৪শ টাকা করে দেওয়া হলেও তাদের বকেয়া রয়েছে ৫২ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা।

দুর্গাপুর ইউনিয়নে ৬৯ দিন কাজ করেন ৩শ ৯৪ জন শ্রমিক। প্রত্যেক শ্রমিকের মজুরি ২৭ হাজার ৬শ টাকা হলেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তাদের ১৮ হাজার ৪শ টাকা করে দেওয়া হয়। বাকি ৯ হাজার ২শ টাকা করে পাননি শ্রমিকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে একই অবস্থা বিরাজ করছে উপজেলার সবগুলো ইউনিয়নে। কাজ করে শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরী না পাওয়া তাদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফলে বকেয়া টাকার দাবীতে বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ শেষে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করেন।

এ ব্যাপারে পান্ডুল ইউনিয়নের শ্রমিক আব্দুস সালাম জানান, আমরা দুই দফায় ৮০ দিন কাজ করে ৩২ হাজার টাকা পাওয়ার কথা থাকলে আমাদেরকে টাকা পরিশোধ করা হয় নাই। দলদলিয়া ইউনিয়ন হতে বিক্ষোভে আসা শ্রমিক রোসনা বেগমও একই ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পান্ডুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা সময়মতোই সব কাগজ পিআইও‘র দপ্তরে জমা দিয়েছি। তার খাম-খেয়ালীতে শ্রমিকরা এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজুদ্দৌলা চেয়ারম্যানদের উপর দোষ চাপিয়ে বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানগণ শ্রমিক যাচাই-বাছাই ও সময়মতো অনলাইনে নাম হাজিরা না দেয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আতাউর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি অবগত আছি। বিধি অনুযায়ী যতটুকু করনীয় তা করবো।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও খবর...