1. info.nagorikvabna@gmail.com : Rifan Ahmed : Rifan Ahmed
  2. emranhossain9555@gmail.com : Emran Hossain : Emran Hossain
  3. mdmohaiminul77@gmail.com : Mohaiminul Islam : Mohaiminul Islam
  4. ischowdhury90@gmail.com : Riazul Islam : Riazul Islam
সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ১১:০৭ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
দেশব্যাপী প্রচার ও প্রসারের লক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা সিভি পাঠান info.nagorikvabna@gmail.com অথবা হটলাইন 09602111973-এ ফোন করুন।

পিডিবির প্রিপেইড মিটার কুষ্টিয়া জেলা বাসির গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে

  • সর্বশেষ পরিমার্জন : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১১৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সজিব হাসান কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ প্রিপেড মিটারের ভোগান্তি থেকে মুক্তি চাই এই জেলার সাধারণ মানুষ। ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে গ্রাহকের প্রিপেইড মিটারের বিরুদ্ধে, এই প্রিপেইড মিটার সংযোজন এর পর থেকেই চরম বিপাকে পড়েছে গ্রাহকরা, এমনিতেই একে একেবারেই নতুন প্রযুক্তিতে তৈরি করা মিটার তারপর  গ্রাহকের নেই কোন অগ্রিম অভিজ্ঞতা, এই প্রিপেইড মিটার এর ব্যাপারে বিদ্যুৎ অফিস কতৃপক্ষের নিকট থেকে কোন সহযোগিতা পাওয়া যায়নি আগে থেকে ভাই এখনো এমন অনেক অভিযোগ তোলেন গ্ৰাহকরা।সুশীল সমাজের অনেকেই বলেন, কি প্রয়োজন ছিল এই প্রিপেইড মিটারের যেসব রাষ্ট্র আমাদের থেকে ১০০ বছর এগিয়ে আছে তাদের দেশেও প্রিপেইড মিটারের প্রচলন নেই, তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও যাচাই-বাছাই করে গ্রাহকদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা প্রয়োজন ছিল। একজন গ্রাহক বলে এর আগে আমরা যে ডিজিটাল মিটার সরকারের কাছ থেকে কিনেছিলাম সেই মিটারের টাকা এখন কি ফেরত দিবে। ভাড়াটিয়া একজন বলেন আমি একজন ছোট পদে চাকরি করি মাস শেষে একবারে বেতনের উপরেই আমার সমস্ত কিছু নির্ভর করে মাস শেষে সমস্ত কেনাকাটা করে হাতে আর কিছুই থাকে না আর এভাবে যদি মাসের মাঝখানে প্রিপেইড মিটারে টাকা কেটে নেয় তাহলে এখন আমি কি করব আমাকে এইরকম ১০ থেকে  ১২ দিন অন্ধকারে থাকতে হবে, বেতন না পেলে আমার টাকাও হবেনা মিটারের বিল দিতে পারব না। কুষ্টিয়া বিদ্যুৎ অফিসের নিকট অনেকেই আবেদন জানিয়েছে প্রিপেইড মিটার না লাগিয়ে ডিজিটাল মিটার স্থাপনের জন্য এ ব্যাপারে তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এলাকা থেকে এই মিটার বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রিপেইড মিটারে প্রতি ১০০০ টাকা রিচার্জে ২০ টাকা কমিশন দিতে হয় প্রতিমাসে ভাড়া বাবদ ৪০ টাকা করে কেটে নেওয়া হয়। এটা কতদিন পর্যন্ত নেবে তা আমরা জানিনা প্রতি ১০০০ টাকায় কত ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, তা আমাদের জানা নেই, বুঝার উপায় নাই। ব্যালেন্স শেষ হলে ২০০ টাকা জরুরি ব্যালেন্স নিলে ৫০ টাকা সুদ দিতে হয়। এছাড়া প্রিপেইড মিটার লক হলে লক খুলতে তাহলে অফিসে ১৬০০ টাকা জমা দিতে হয়।এ সব ভোগান্তি থেকে জনগন  মুক্তি চেয়েছে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

খুঁজুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৫৯,২২৯,৯১৮
সুস্থ
৪০,৯৭৬,৯৬৩
মৃত্যু
১,৩৯৭,৫৮৩